ট্রাম্পের সফরের পর এবার বেইজিং যাচ্ছেন পুতিন

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা দেওয়ার এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে রাষ্ট্রীয় সফরে স্বাগত জানাচ্ছে চীন। বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই বেইজিং ও মস্কোর ঘনিষ্ঠ অবস্থান তুলে ধরতেই এ সফরের আয়োজন করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বেইজিং পৌঁছানোর কথা রয়েছে পুতিনের। বার্তাসংস্থা সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

এটি তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দুই দশকের বেশি সময়ে চীনে ২৫তম সফর। এই সময়ে বাণিজ্য, জ্বালানি, নিরাপত্তা ও কূটনীতিতে দুই দেশের সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দুই নেতা একে অপরকে প্রায়ই ‘প্রিয় বন্ধু’ বা ‘পুরোনো বন্ধু’ বলে সম্বোধন করেন এবং এখন পর্যন্ত ৪০টির বেশি বৈঠক করেছেন।

পুতিনের সফরকে ঘিরে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দুই দেশের ‘অটুট সম্পর্ক’ এবং ‘অস্থির আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সহযোগিতা’ নিয়ে নানা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে।

বুধবার শি জিনপিং ও পুতিনের বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক, ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও সামরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা ও নতুন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার পক্ষে যৌথ ঘোষণা দিতে পারেন দুই নেতা।

সম্প্রতি ট্রাম্পের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক এবং ইরানকে ঘিরে উত্তেজনাও আলোচনায় গুরুত্ব পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু রাখার বিষয়ে ট্রাম্প ও শি একমত হয়েছেন।

চীন ও রাশিয়া উভয়ই ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তেহরানকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। চীন বর্তমানে ইরানে অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের পর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানির বড় বাজার হয়ে উঠেছে চীন।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা চীনকে রাশিয়ার জ্বালানির ওপর আরও নির্ভরশীল করে তুলতে পারে। এ কারণেই বহুদিন ধরে আলোচনায় থাকা ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া-২’ গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প নিয়েও এবারের বৈঠকে অগ্রগতি হতে পারে।

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতির কারণে পুতিনের ওপর চাপও বেড়েছে। যুদ্ধ চালিয়ে যেতে রুশ অর্থনীতি এখন অনেকাংশে চীনের তেল কেনা এবং প্রযুক্তিপণ্য রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল।

এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা প্রশমনে চীন ও রাশিয়া কোনো ভূমিকা নেবে কি না, তা নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা চলছে। এর আগে তেহরান নিরাপত্তা নিশ্চয়তাকারী হিসেবে বেইজিং ও মস্কোর ভূমিকার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিল।

 

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে সাড়ে তিন মাস পর হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ৬

নবীনগরে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নানকে আইনজীবী সমিতির সংবর্ধনা

ধর্মীয় নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগ, বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তা

মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন মির্জা ফয়সল ও এলিজা জামান

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন, সাধারণ ছুটি ১৫ দিন

৩৫ হাজার টাকায় সিজার, কয়েক ঘণ্টা পর প্রসূতির মৃত্যু; উধাও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ

১২ হাজার ৫০০ টাকায় শ্রমিকের সংসার চলে কীভাবে? প্রশ্ন সাদিকের

১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২২৩ টাকা

ভাঙ্গায় দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে কলেজছাত্রসহ নিহত ২

সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে নতুন আইন, মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন

মাঠ দখলে দলবদলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের পর বিএনপির প্রভাব: নাহিদ

শ্রমিক আন্দোলনে স্কুলছাত্রের মৃত্যুর গুজব, সুস্থ আছে সামি