হকারমুক্ত পরিচ্ছন্ন চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের প্রশান্তি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনার প্রাদুর্ভাবে সাত মাস বন্ধ থাকার পর সরকারি নির্দেশনা মেনে জাতীয় চিড়িয়াখানা খোলে গত বছরের ১ নভেম্বর। তারপর প্রায় প্রতিদিনই চিড়িয়াখানায় ছিল দর্শনার্থীদের ভিড়। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে ভিড় আরও বেড়ে যায়।

শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে চিড়িয়াখানায় ঘুরে দেখা গেছে, হকারমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন চিড়িয়াখানা ঘুরে দর্শনার্থীর সন্তুষ্ট। তারা বলছেন, চিড়িয়াখানা এখন আগের থেকে নিরাপদ।

jagonews24

চিড়িয়াখানার কিউরেটর আবদুল লতিফ বলেন, নভেম্বরের আগে চিড়িয়াখানায় যাবতীয় সংস্কার করেছি। চিড়িয়াখানা হকারমুক্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার চেষ্টা করছি।

গত বছরের নভেম্বরের শুরুতে সীমিত পরিসরে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চিড়িয়াখানা খোলা থাকলেও ডিসেম্বর মাস থেকে চিড়িয়াখানা খুলছে সকাল ১০টায়, বন্ধ হচ্ছে বিকেল ৫টায়। এছাড়া প্রতি রোববার বন্ধ থাকছে চিড়িয়াখানা।

jagonews24

সব বয়সী মানুষে ভিড়, নির্দেশনা মানায় আগ্রহ নেই

সরেজিমনে দেখা গেছে, শুধু ঢাকা নয় দূর-দূরান্ত থেকে চিড়িয়াখানায় ঘুরতে আসছেন দর্শনার্থীরা। বানর, হরিণ, জিরাফ, ভাল্লুক, বাঘ, ইমু পাখির খাঁচার সামনে ভিড় বেশি দর্শনার্থীদের। দর্শনার্থীদের মাইকে বাইরে থেকে খাবার না আনা, পশুপাখিদের উত্ত্যক্ত না করা, এক জায়গায় ভিড় না করা ও চিড়িয়াখানা পরিচ্ছন্ন রাখার অনুরোধ করা হলেও তা মানছেন না অনেকেই।

jagonews24

চিড়িয়াখানার ভেতর হকারের দেখা না মিললেও বাইরে থেকে তাদের কাছ থেকে পানি, বাদাম, আচার, চিপস কিনে অনেকেই ভেতরে প্রবেশ করছেন। খাবারের খোসা, প্লাস্টিকের প্যাকেট ফেলছেন যত্রতত্র। বানর, উটপাখিসহ বিভিন্ন খাঁচায় দর্শনার্থীদের খাবার দিতে দেখা গেছে।

ধানমন্ডি থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী দ্বীপ। তিনি বলেন, আগে তো দর্শনার্থী থেকে হকার বেশি ছিল। এখন তো হকার নেই। আর চিড়িয়াখানা আগের চেয়েও পরিষ্কার। এখন নিরাপদ লাগছে।

jagonews24

যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকেই চিপসের প্যাকেট, পানির বোতল ফেলছেন এটা ঠিক না।

চিড়িয়াখানার তথ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ওয়ালিউর রহমান বলেন, শুক্রবার প্রচুর ভিড় হয়। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে আমরা চেষ্টা করছি। আমাদের ভ্রাম্যমাণ টিম ভেতরে টহল দিচ্ছে।

এছাড়া আমাদের আরও কয়েকটি টিম সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে।

jagonews24

চিড়িয়াখানায় ১৩৮ প্রজাতির ২৭৯২ প্রাণী

সিটিজেন চার্টার থেকে জানা যায়, ১৮৬ দশমিক ৬৩ একরের চিড়িয়াখানায় প্রায় তিন হাজার প্রাণীর বাস। এখানে ১৮ প্রজাতির তৃণভোজি, ১১ প্রজাতির মাংসাশী, ২৫ প্রজাতির ক্ষুদ্র স্তন্যপায়ী ও সরীসৃপ, ৫৮ প্রজাতির পাখি ও ২৬ প্রজাতির অ্যাকুয়ারিয়াম মাছ আছে।

jagonews24

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হলে ২৬ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের বন্ধ ঘোষণা করা হয় চিড়িয়াখানা। আর ১ নভেম্বর খোলা হয়। এই সাত মাসে প্রাণীরা ছিল দর্শনার্থীদের জ্বালাতন থেকে মুক্ত। সাত মাসে চিড়িয়াখানায় নতুন ১১৫টি প্রাণীর জন্ম হয়েছে বলে জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

নতুন জন্ম নেয়া প্রাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে- চিত্রা হরিণ, ভাল্লুক, জিরাফ, ইম্পালা, কমন ইলেন, জলহস্তী, ময়ূর, ময়না ইত্যাদি। আর গত বছর চিড়িয়াখানায় মোট ১২৬টি প্রাণী জন্ম নিয়েছে।

সূত্র : জাগো নিউজ

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন