,

রাজনৈতিক সচেতনতায় উদ্দীপ্ত তারুণ্য

image_1134_170848ক্যাম্পাস প্রতিবেদক : সব জাতীয় আন্দোলনের সূতিকাগার, রাাজনৈতিক-সামাজিক আন্দোলনের তীর্থভূমি, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর চিরকাঙ্ক্ষিত এবং পরম চাওয়া-পাওয়ার একমাত্র স্থান। বলছিলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা। নাম জপলেই যেন মনের ভেতর এক অসম্ভবরকম ভালো লাগার সৃষ্টি হয়, হৃদয়তরী কোনো এক অজানা হাওয়ায় দোল খায়। বসন্তের ছোঁয়ায় যেমন মরা গাছ প্রাণ ফিরে পায় ঠিক তেমনি এর ছোঁয়ায় সুপ্ত প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ সম্পন্ন হয়। এর পরশে ব্যক্তি বিপ্লবের অগি্নমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে আলোক মশাল হাতে নিয়ে সব বাধা-ভয় উপেক্ষা করে জাতিকে আলোকিত করতে সচেষ্ট হয়। এজন্যই কি তবে এটি স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়? সোনার মানুষ তৈরির কারিগর? অনেক চড়াই-উতরাই পার হয়ে সামাজিক-রাজনৈতিক আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিত ১৯২১ সালে সৃষ্টি হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির। কথায় বলে নাড়ির টান বড় টান। এজন্যই কি তবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক ভূমিকা এত মুখ্য। দেশ বিভাগের শুরুতেই যখন শকুনি চক্র ভাষার ওপর তাদের কালো থাবা বিস্তার করেছিল তখন একঝাঁক তরুণ দৃপ্ত শপথের অগি্নমন্ত্রে দীক্ষিত হয়েছিলেন মাতৃভাষাকে রক্ষার জন্য। গঠন করেছিলেন সংগঠন। এ করেই ক্ষান্ত হলেন না, বুকের তাজা খুন ঢেলে দিয়ে কালো পিচঢালা পথ লাল করে ফিরিয়ে এনেছিলেন মাতৃভাষার ন্যায্য অধিকার। শুধু এখানেই শেষ নয়, '৬২-এর শিক্ষার জন্য আন্দোলন, ৬৬-এর ছয় দফা আন্দোলন, '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং সর্বোপরি মহান মুক্তিযুদ্ধে সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাদের তাজা রক্তের ফসল আজকের এই উর্বরা বাংলাদেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রজন্ম কি ভুলে গেছে সেই রক্তঝরা দিনের ইতিহাস, বিস্মৃত হয়েছে কি মানবমুক্তির সেই সংগ্রামের দিনগুলোর কথা? জানতে চেয়েছিলাম ইতিহাস বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র আবদুর রহিমের কাছে। তিনি বলেন, 'পূর্ব প্রজন্মের রক্তের ফলেই মূলত আজকে আমাদের এই সুন্দর পরিপাটি বিশ্ববিদ্যালয় পাওয়া। আমরা সতত-সর্বদা তাদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ এবং তাদের চেতনায় উজ্জীবিত'। গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের একজন ছাত্র বলেন, 'আমরা আজও বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই রাজনৈতিক আলোয় উদ্ভাসিত। সে চেতনা লালন করে আজও পথ চলছি এবং পথ চলব সব সময়'। প্রকৃতপক্ষে এর বাস্তব প্রমাণ মেলে ২ মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবসে, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর অগি্নঝরা ভাষণের দিবসে এবং সর্বশেষ যখন কুচক্রীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে এবং তা ফাঁস হওয়ার পরবর্তীতে। হাজারো শিক্ষার্থীর সস্নোগানে তীব্র প্রতিবাদে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাসের আকাশ-বাতাস। সে সস্নোগানের মূল কথা ষড়যন্ত্রকারীরা সাবধান! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে বিন্দুমাত্র ষড়যন্ত্র বরদাশত করা হবে না। আমরা সুস্থ রাজনীতির বিকাশের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলে দেশমাতৃকার প্রতি অবদান রাখতে চাই। তোমরা আমাদের নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্রে মেতে উঠো না। তার ফল ভালো হবে না। বস্তুতপক্ষে তাদের এ সংগ্রাম বলে দেয় তাদের অধিকার সচেতনতার কথা, বলে দেয় তাদের রাজনৈতিক সচেতনতার কথা। তাদের যোগ্য নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে এবং বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে এমনটিই প্রত্যাশা সবার।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ