,

ফিল্মি ষ্টাইলে ঠিকাদারী কাজ বাগিয়ে নিল টেন্ডার সন্ত্রাসীরা

tender bajiবার্তা কক্ষঃসকাল হতে দুপুর পর্যন্ত শতাধিক ক্যাডার ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে তত্বাবধায়কের কক্ষ ঘেরাও করে রাখে। রোগীসহ কোন দর্শনার্থীকেই তত্বাবধায়কের কক্ষে ঢুকতে দেয়া হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে সন্ত্রাসীদের আনাগোনায় রোগীদের চিকিৎসা সেবাও ব্যাহত হয়। প্রায় ২ কোটি টাকার হাসপাতালের ঠিকাদারী কাজ বাগিয়ে নিতে টেন্ডার সন্ত্রাসীরা হাসপাতালে প্রহরা বসায়। এতে করে মনোনীত ঠিকাদার ছাড়া কোন ঠিকাদারের সিডিউল জমা দিতে দেয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত জনৈক ঠিকাদার তার এক মহিলা আত্মীয়কের রোগী সাজিয়ে তত্বাবধায়কের কক্ষে পাঠালে তত্বাবধায়ক ও টেন্ডার কমিটির সভাপতি ডাঃ আকবর হোসেনের সহযোগীতায় সন্ত্রাসীরা দরপত্র ছিনিয়ে নেয়। ওই নারীকে কেয়ার টেকার গালমন্দ করে কক্ষ থেকে বের করে দেয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের রোগীদের খাবার সরবরাহ, মনোহারী, ধৌত করন ও জনবল সরবরাহের জন্য ৪ গ্রুপে দরপত্র আহবান করা হয় চলতি মাসের ৪ জুন। ২০ জুন ছিল সিডিউল বিক্রির শেষ দিন। বুধবার ছিল সিডিউল জমা দেয়ার শেষ দিন। খাবার সরবরাহে ৪৯টি, মনোহারীর ৪০টি, ধৌতকরনের ৩৮টি ও জনবল সরবরাহের জন্য ৩৫টি সিডিউল বিক্রি হয়। কিন্তু টেন্ডার সন্ত্রাসীরা শেষ দিনে কাউকে সিডিউল জমা দিতে দেয় নি। সকাল থেকেই সশস্ত্র অবস্থায় সদর হাসপাতাল এলাকায় শতাধিক ক্যাডার হাসপাতালে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয়। হাসপাতালে দোতলায় রোগীসহ কোন ব্যক্তিকে প্রবেশ করতে দেয়নি। টেন্ডার কমিটির সভাপতি ও হাসপাতালের তত্বাবধায়ক সকাল ১০টা থেকে তার কক্ষের দরজা বন্ধ করে ৪/৫জন ক্যাডারকে নিয়ে তার কক্ষে অবস্থান করতে থাকেন। সকাল থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে রোগীরা হাসপাতালে আসলে তাদের ফিরিয়ে দেয়া হয়। এতে বিনা চিকিৎসায় অনেকে ফিরে যায়। দুপুর পর্যন্ত এ অবস্থা চলতে থাকে। সৃষ্ট পরিস্থিতিতে কোন ঠিকাদার সিডিউল জমা দিতে না পেরে ফিরে যান। সকাল সাড়ে ১১টায় তার ঠিকাদার তার নারী আত্মীয়কে রোগী সাজিয়ে কোন রকমে তত্বাবধায়কের কক্ষে প্রবেশ করে। সিডিউল জমা দানের কথা বললে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন টেন্ডার কমিটির সভাপতি ও হাসপাতালে তত্বাবধায়ক ডাঃ আকবর হোসেন চৌধুরী। তার সহযোগীতায় সন্ত্রাসীরা সিডিউলগুলো নিয়ে যায়। জেলা বিএমএ’র সভাপতি ডাঃ আবু সাঈদকে ঘটনাটি জানানো হলে তিনি বলেন আমি শুনেছি। তবে তত্বাবধায় দাবী করেছেন রোগী হিসেবে এক মহিলা এসেছিলেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ডঃ মোশররফ হোসেনকে বিষয়টি জানালে তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে ঠিকাদারকে আশ্বস্ব করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও টেন্ডার কমিটির সভাপতি ডাঃ আকবর হোসেন চৌধুরী জানান, মহিল এসেছিলেন রোগী হিসেবে। কোন ঠিকাদার লিখিত অভিযোগ দিলে ফের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
উল্লেখ্য, সদর হাসপাতালে গুরুত্বপূর্ন এ ঠিকাদারী কাজের সিডিউল বক্স জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়সহ অন্যান্য সরকারী অফিসে না রাখায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান।

সুত্রঃ abnews24bd

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা