,

কাশ্মির সীমান্তে ৩ ভারতীয় সেনা নিহত

bsfআন্তর্জাতিক ডেস্ক : ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে আততায়ীর হামলায় তিন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার জম্মু ও কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখা সংলগ্ন মাচিলে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি কমান্ডোরা ভারতীয় এলাকায় অনুপ্রবেশ করে এ হামলা চালিয়েছে। এসব কমান্ডোরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বর্ডার অ্যাকশন টিমের বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিন ভারতীয় সেনাকে হত্যার পর তারা পালিয়ে যায়।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ হত্যাণ্ডে দেশটির সংশ্লিষ্টতার খবর নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনগুলোকেও ‘মিথ্যা’ ও ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল রাজেশ কালিয়া জানান, হামলাকারীরা এক সেনার দেহ ছিন্নভিন্ন করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, কাপুরুষোচিত এই হামলার চরম প্রতিশোধ নেওয়া হবে। তবে এই হামলা পাকিস্তানি সেনারা চালিয়েছে নাকি কাশ্মিরের স্বাধীনতাকামী বিদ্রোহীরা চালিয়েছে তা স্পষ্ট করেননি ভারতীয় সেনা মুখপাত্র।

টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পারিকর ‘কাপুরুষোচিত ও বর্বর’ এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন।

ভারতীয় সেনাদের প্রাণহানির আগে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভারতীয় সেনাদের গুলিতে চার বেসামরিক নিহত হওয়ার দাবি করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। সোমবার পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দফতরের এক বিবৃতিতে এমন দাবি করা হয়। পরে পাকিস্তানি বাহিনীর পাল্টা জবাবে ছয় ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে বলেও দাবি করেছে পাকিস্তান। সবমিলে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০-এ। এছাড়া সোমবার ওই আন্তঃসীমান্ত গোলাগুলির ঘটনায় আরও অন্তত ১৮ জন বেসামরিক আহত হয়েছে। তবে মঙ্গলবারের ঘটনায় পাকিস্তানের কোনও সংশ্লিষ্টতা না থাকার জোর দাবি করেছে ইসলামাবাদ।

উল্লেখ্য, পাঠানকোটের সেনাঘাঁটিতে জঙ্গি হামলা এবং পরবর্তীতে হিজবুল নেতা বুরহান ওয়ানিকে কথিত এনকাউন্টারে হত্যার পর থেকেই ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা বাড়তে থাকে। সাম্প্রতিক উরি সেনাঘাঁটিতে জঙ্গি হামলার পর আবারও জয়েশ ই মোহাম্মদের সংশ্লিষ্টতার প্রসঙ্গ তুলে পাকিস্তানকে দায়ী করতে শুরু করে ভারত।

পারস্পরিক দোষারোপ এবং এ নিয়ে আন্তর্জাতিক তৎপরতার এক পর্যায়ে ২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) রাতে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতের সেনারা সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলোতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর দাবি করে। ঘটনার পর থেকে পাকিস্তান দাবি করে আসছে এটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ছিল না, সীমান্ত সংঘর্ষ বা আন্তঃসীমান্ত গোলাগুলির ঘটনা ছিল। ঘটনাকে ভারতের দিক থেকে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ প্রমাণ করে তাদের সামরিক শক্তি জানান দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয় সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দাবিটি একটি ভ্রম। মিথ্যে প্রভাব তৈরির জন্য ভারতীয়রা ইচ্ছে করে এমনটা করছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে ভারতের দাবিকৃত ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ যতোটা না জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সাফল্য-ব্যর্থতার প্রশ্ন, তার থেকেও বেশি করে ভারত ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্ষমতা-আত্মমর্যাদা আর দম্ভের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। আর তখন থেকে কাশ্মির সীমান্তে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয় এবং প্রায়ই আন্তঃসীমান্ত গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। সূত্র: এনডিটিভি, ডন, আল জাজিরা

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা

রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় মিয়ানমারকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে