,

আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল : অভিযোগকারীর মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় ভুয়া

download-73নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ আর্ন্তজাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মো: আউয়াল মিয়া মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে নবীনগর বগডহর গ্রামের ফুল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। বাদী মো: আউয়াল মিয়া ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা বলে নবীনগরে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সমাজসেবা ও মুক্তিযোদ্ধা অফিস সূত্রে জানাযায়, উপজেলার শ্রীরামপুর গ্রামের মো: আউয়াল মিয়া মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় দিয়ে মামলার বাদী হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা অফিসসহ এলাকায় আলোচনার ঝড় উঠেছে। মামলার বাদী মৃত ওমর আলী ছেলে মো: আউয়াল মিয়ার জাতীয় পরিচয় পত্রের সাথে কোন মিল না থাকায় স্বয়ং মুক্তিযোদ্ধাদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন। জাতীয় পরিচয় পত্রে তার নাম হলো মো: আব্দুল আউয়াল খন্দকার পিতা মৃত আব্দুল গফুর খন্দকার যাহা শ্রীরামপুর গ্রামে খন্দকার বাড়ি হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে তিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার কাগজ ব্যবহার করে মুক্তিযোদ্ধার ভাতার জন্য স্থানীয় সমাজ সেবা অফিসে অবেদন করেন। কাগজ পত্র গরমিল থাকায় তার অবেদনটি বাতিল হয়। যিনি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তিনি ভারতীর তালিকা ১২১ পৃষ্টায় ক্রমিক নং ৩৩০৩৩ ও বাংলাদেশ গেজেট (অতিরিক্ত) ৩৩৮৩ নং গেজেট অনুযারী কাগজপত্র সঠিক থাকায় ২০০৫ সাল হতে এই পযর্šÍ মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছেন। তার নাম আবদুল আউয়াল পিতা মৃত উমর আলী গ্রাম শ্রীরামপুর। বর্তমানে তিনি নায়ারনপুরে বসবাস করছেন।
মামলার বাদী অভিযুক্ত মুক্তিযোদ্ধা মো: আউয়াল মিয়া ওরফে আব্দুল আউয়াল খন্দকার বলেন, আমিই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা, আমার বিরুদ্ধে যারা কথা বলছে তারা সঠিক মুক্তিযোদ্ধা নয়। মুক্তিযোদ্ধা অফিসের শিশু মিয়ারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। জাতীয় পরিচয় পর্ত্রে একটি নাম মুক্তিযোদ্ধা সনদে আরেকটি নাম এই বিষরে তিনি আরো বলেন, বাবা সহ আমাদের বাড়ীর সকলের ২টি করে নাম রয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যিনি ভাতা পাচ্ছেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা মো: আউয়াল মিয়া বলেন, আমি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ১০ বছর যাবৎ ভাতা পাচ্ছি। আমি যুদ্ধ করেছি তা সবাই জানেন, আম্ার কাগজ ব্যবহার করে যিনি ভাতার জন্য অবেদন করেছেন তাকে আমি চিনিনা।
এই ব্যাপারে শ্রীরামপুর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নসু মিয়া বলেন, মানবতা বিরোধী মামলার বাদী মো: আউয়াল মিয়া মুক্তিযোদ্ধা নয়। যিনি ভাতা পাচ্ছেন তিনিই প্রকত মুক্তিযোদ্ধা ,আমরা একসাথে যুদ্ধ করেছি।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এমদাদুল হক বলেন, মামলার বাদী কাগজপত্রে যাচাই বাচাইয়ে মুক্তিযোদ্ধার প্রমান পাওয়া যায়নি। মো: আউয়াল মিয়া পিতা মৃত উমর আলী একজন মুক্তিযোদ্ধা। তার কাগজপত্র সঠিক থাকায় সে ২০০৫ সাল থেকে মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাচ্ছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

নবীনগর সাধু সঙ্গের উদ্যোগে লঞ্চযোগে আনন্দ ভ্রমণ: নদীর বুকে ফিরে দেখা স্মৃতি, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির অনন্য আয়োজন

নবীনগরে গাড়ির ধাক্কায় বেকারি লাইনম্যান তামিম নিহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ৫ ডিআইজি

যেভাবে সময় কাটছে বুবলীর

তপ্তদহনে পুড়ছে মানুষ, কমছে কর্মঘণ্টা, ক্ষয়ে যাচ্ছে জিডিপি

২২ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা

অ্যাভোকাডো খাওয়া যে কারণে উপকারী

পাড্ডিক্যালের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের পথে ভারত

নতুন রূপে আসছে শাকিবের ‘অপারেশন অগ্নিপথ’

বাংলাদেশের ভুতুড়ে ব্যাটিংয়ে ম্যাকাইয়ে রেকর্ডের ছড়াছড়ি

ডেঙ্গুতে ৫ মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯

নবীনগরে ‘হোপ’-এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও আলোচনা সভা