,

কঠোর নিরাপত্তায় শেষ হচ্ছে টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটর চট্গ্রাম আসর

lllllনজির বিহীন নিরাপত্তায় আজ চট্টগ্রামে শেষ হচ্ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের চট্টগ্রাম আসর। প্রায় অর্ধমাসের চারছক্কা হইচইয়ের পর আজ চট্টগ্রাম থেকে ইতি টানছে ক্রিকেটের এ আয়োজন । আর এ ক্রিকেট মহাজজ্ঞের কারণে গত অর্ধমাস নিরাপত্তা বলয়ে ঢাকা ছিলো পুরো চট্টগ্রাম। মাঠে ছিলো পুলিশ বাহিনীর প্রায় আড়াই হাজার সদস্য। একই সাথে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলো আনসার, র‌্যাব ও অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত সোয়াত বাহিনী। তবে নতুন বাহিনী হিসেবে সবার নজর কেড়েছে সোয়াত।

গত ১৬ মার্চ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নগরীর সাগরিকা রোডের জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে হংকং ও নেপালের খেলার মধ্য দিয়ে নগরীতে পর্দায় উঠে ছিলো আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের। দুনিয়ার সাড়া জাগানোর ক্রিকেটের এ আসরের মোট ১৫টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে নগরীর এই স্টেডিয়ামে।

এছাড়া ক্রিকেটারদের যাতায়াতের রাস্তাসহ ক্রিকেট ভেন্যু জহুর আহমদ চৌধুরী স্টেডিয়ামকে ঘিরে গড়ে তোলা হয়ে ছিল পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা বেস্টনি। টানা ষোল দিন নগরী ছিলো অতিরিক্ত নিরাপত্তা বলয়ের ভেতর। ক্রিকেটের এ আসরকে নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এবং ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার স্বার্থে  প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়ে ছিলো জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নগরীকে সাজাতে খেলা শুরুর আগেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে ভাসমান দোকানদার, ভিক্ষুক, হকার, স্থায়ী-অস্থায়ী গাড়িরস্ট্যান্ড । আইন শৃংখলা বাহিনীর কাজের সুবিধার্থে করা হয়ে ছিলো  ছিন্নমূল মানুষের ডাটা বেইজ।

নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) বনজ কুমার মজুমদার বলেন, ‘খেলা উপলক্ষে পুরো নগরী ছিলো নিরাপত্তা বলয়ে আবদ্ধ। সাথে ছিল এন্টি-টেরোরিজম ইউনিট সোয়াতের প্রশিক্ষিত পুলিশ বাহিনী। সোয়াত সদস্যদের হাতে ছিলো সম্প্রতি আমেরিকা থেকে পাওয়া অত্যাধুনিক এম ফোর রাইফেল। ফলে আইন শৃংখলা বাহিনী ছিলো বেশ সুসজ্জিত।

নগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার ও সোয়াতের দল নেতা মাহমুদা বেগম জানান, ১৬ দিন খুব ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে নগর পুলিশ। একই সাথে দেশের সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে সর্বদা সজাগ ছিলো আইন শৃংখলা বাহিনী। সোয়াত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সোয়াতের সদস্যরা পুলিশ বাহিনীরই একটি অংশ। তবে খেলোয়ারদের নিরাপত্তায় আলাদা ভাবে সবার নজর কেড়েছে সোয়াত।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, খেলার আয়োজনকে ঘিরে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার পদ মর্যাদার ৬ জন, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পদমর্যাদার ১১ এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার ১৫ জন কর্মকর্তা নিরাপত্তার নেতৃত্বে দেন। পুরো বিষয়টি মনিটরিং করেছেন নগর পুলিশের দু’জন অতিরিক্ত কমিশনার।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক-বন্দর) সুজায়েতুল ইসলাম বলেন, খেলোয়াড়দের যাতায়াত নির্বিঘ্নে করতে ট্রাফকেস সদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে।
আনন্দ বেদনা, প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির হিসেব যাই হোক। তবে কিছু দিনের জন্য আইন শৃংখলা বাহিনীর নিরাপত্তা বলয়ে নগরীর চিত্র যেন পাল্টে গিয়েছিল। সাধারণ মানুষের সাময়িক দুর্ভোগ হলেও দেশের সুনাম রক্ষা করতে আমাদের আইন শৃংখলা বাহিনীর  এই অবদান ক্রিকেট ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফাঁসি ছাড়া অন্য কোনো রায় মেনে নেব না : আছিয়ার মা

ফিরছেন প্রীতম হাসান

হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা, হাতকাটা কাশেম ৫ দিনের রিমান্ডে

নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. জাহিদ হোসেন

‘আগ্রাসনের স্বীকার যেন দেশের মানুষ না হন, আমরা সজাগ থাকব’

কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, শর্টগান ফেলে পালাল বিএসএফ

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি

মহানবী (সা.)-এর জীবন-আদর্শ অনুসরণ করে কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ভুল তথ্য দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করল সিপিডি

বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার

পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি