,

নেপালে বন্যার নেপথ্যে ভূমিধস

news-image

অনলাইন ডেস্ক : নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার জন্য ভূমিকম্প নয়, বরং ভূমিধসই দায়ী বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দুর্যোগের পর প্রথম দিকে ভূমিকম্পকে সম্ভাব্য কারণ মনে করা হলেও পরবর্তী বিশ্লেষণে সেই ধারণা নাকচ হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, ভূকম্পন তরঙ্গের বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সেখানে ভূমিকম্পের পরিবর্তে ভূমিধসের কারণেই ভূকম্পন শক্তির সৃষ্টি হয়েছিল।

নেপালের আবহাওয়া ও জলবিদ্যা বিভাগের কর্মকর্তাদের ধারণা, পাহাড়ের বড় একটি বরফখণ্ড ধসে পড়ার পর তার সঙ্গে পাথর, মাটি ও অন্যান্য ধ্বংসাবশেষ নিচের দিকে নেমে আসে। এতে নদীর পানির প্রবাহ হঠাৎ বেড়ে গিয়ে আকস্মিক বন্যা তৈরি হয়ে থাকতে পারে।

তবে এই ঘটনার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। হিমবাহ গলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়লেও নির্দিষ্ট এই দুর্যোগে তার ভূমিকা কতটা ছিল, তা জানতে আরও তথ্য প্রয়োজন।

বন্যার কারণ অনুসন্ধানে আরও কয়েকটি সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে হিমবাহ-হ্রদ থেকে আকস্মিক পানি বেরিয়ে আসা, নদীর প্রবাহ কোনো স্থানে আটকে যাওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে ওই অঞ্চলে হওয়া বৃষ্টিপাতের পরিমাণ।

সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ এই বন্যায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আকস্মিক পানির স্রোতে বহু ঘরবাড়ি, সড়ক ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে।

দুর্যোগের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভূকম্পন, ভূমিধস, হিমবাহ, হিমবাহ-হ্রদ এবং সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতের তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করছেন সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা।

এ জাতীয় আরও খবর

নেপালে আকস্মিক বন্যা, কেমন আছেন অপু বিশ্বাসরা

৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করল বিএনপি

নেপালে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা

সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে বিকেলে

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শতাধিক

বৈশ্বিক উষ্ণায়নে ভূমিকা কম, তবুও জলবায়ু সংকটে ঝুঁকিতে নেপাল

৩০০ ভারতীয় নিখোঁজের খবর জানালেন নেপাল মন্ত্রী

যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামে অনুপ্রেরণা ছিলেন কাজী নজরুল: রিজভী

নেপালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে জাতিসংঘ

সংসদে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক

নেপালে আবারও বন্যার শঙ্কা