রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিফ হুইপের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

news-image

বাসস
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলামের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে। এ সময় সংসদীয় গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্বের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আলোচনা হয়।

আজ মঙ্গলবার চিফ হুইপের কার্যালয়ে এ বৈঠকে উভয় পক্ষ দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন মিশনের উপপ্রধান মেগান বলডিন, রাজনৈতিক উপদেষ্টা এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্র, গণতন্ত্রের উন্নয়ন এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবেশে গণতন্ত্রের পুনঃযাত্রা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

চিফ হুইপ বলেন, সংসদ হলো গণতন্ত্রের প্রাণকেন্দ্র, আর গণতন্ত্রের প্রতীক এই ভবনের নির্মাতা স্থপতি লুই আই কানকে জনগণ সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে। যুক্তরাষ্ট্র সবসময় বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় সহযোগী ভূমিকা রেখেছে।

মার্কিন মিশনের উপপ্রধান মেগান বলডিন সংসদ ভবনের স্থাপত্যশৈলীর প্রশংসা করে বলেন, এটি দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের শক্তিশালী প্রতীক। আমেরিকান স্থাপত্যশিক্ষার্থীরা প্রায়ই ভবনটি দেখার ইচ্ছা পোষণ করে। কারণ, এটি লুই কানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ।

বৈঠকে চিফ হুইপ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের চমৎকার বাণিজ্যিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের অন্যতম বৃহৎ বাজার হলো যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল আইটি চাকরি সৃষ্টির যে লক্ষ্য নিয়েছে, সে লক্ষ্যে প্রযুক্তিতে উন্নত যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে নিরলস চেষ্টা করছেন এবং ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষি ঋণ মওকুফসহ প্রান্তিক জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এই উন্নয়নকে ধারাবাহিক রাখতে গণতন্ত্রের যাত্রা মসৃণ হওয়া অত্যাবশ্যক।

মার্কিন প্রতিনিধিদল বাংলাদেশের শ্রম আইন সংস্কারের প্রশংসা করে জানায়, বিষয়টি ওয়াশিংটনে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। তারা জানায়, দুর্নীতি দমন, পরিবেশ রক্ষা এবং বন্যপ্রাণী পাচার রোধে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যখাতে সংক্রামক ব্যাধি মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে ৯০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

গণতন্ত্র, বিনিয়োগ এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মার্কিন প্রতিনিধি দল জানায়, বাংলাদেশ একটি বন্ধুপ্রতিম গণতান্ত্রিক দেশ এবং এর সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক সংস্কারগুলো আমেরিকান কোম্পানিগুলোকে আরও বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে। দুই দেশের মধ্যকার এই সম্পর্ক নথিপত্রে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব উন্নয়ন সহযোগিতায় রূপ নেবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার জনসমক্ষে মেসি

সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু সোমবার, যেতে পারবেন না যেসব ব্যক্তি

চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান শিক্ষার্থীদের

দীর্ঘ প্রবাসে ডলি সায়ন্তনীর আবেগঘন বার্তা

গাজীপুর সিটির নতুন বাজেট ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকা

বিদেশে ৮১ বাংলাদেশি মিশনে হবে ‘জুট কর্নার’

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে যাবে ইসি

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

জেলা-উপজেলায় হচ্ছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’

প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ