,

বাঞ্ছারামপুরে  ভয়ঙ্কর ম্যাজিক জালের ফাঁদে দেশীয় মাছ

news-image
ফয়সল আহমেদ খান, বাঞ্ছারামপুর : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের নদী ও বিভিন্ন খাল বিলে নিষিদ্ধ চায়না ম্যাজিক জাল  দিয়ে অবাধে চলছে মাছ শিকার। নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের পর এবার ভয়ঙ্কর ম্যাজিক জালের যাদুতে  ফাঁদে পড়েছে  দেশীয় প্রজাতির মাছ।
এতে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, ডিমওয়ালা মাছসহ জলজ প্রাণী ধরা পড়ছে এ জালে। ফলে ক্রমেই মাছশূন্য হয়ে পড়ছে হাওর জনপদের তিতাস নদীর মৎস্য ভান্ডার হিসাবে খ্যাত বাঞ্ছারামপুর  উপজেলার নদী, খাল-বিল ও জলাশয়।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়-এক শ্রেণির অসাধু মৎস্য শিকারী বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ম্যাজিক জাল বা রিং জাল দিয়ে মাছ নিধনে। এবারে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়নে বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকেই নদ-নদীতে থাকা মিঠা পানির সব ধরনের দেশি মাছ সূক্ষ এই ম্যাজিক জালে ধরা পড়ছে।
বিশেষ করে গত কয়েক দিনের অবিরাম বৃষ্টির ফলে তিতাস নদী ও এর শাখা নদী ঢোলভাঙ্গার খাল-বিল ও জলাশয়ে পানি বৃদ্ধির ফলে এই প্রজনন মৌসুমে ডিমওয়ালা চিংড়ি, পুঁটি, টেংরা, কই, শিং, মাগুর, তেলাপিয়া, বেলে, বোয়াল, শোল, টাকিসহ প্রাকৃতিক সব মাছ এই সর্বনাশা ম্যাজিক ও কারেন্ট জালে নিধন হচ্ছে।
এ জন্য অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে মাছের প্রজননও অনেক কম হয়েছে। তারপরও নিষিদ্ধ এসব জালের  ব্যবহারে দেশীয় প্রজাতির মাছের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে করে উপজেলার শতাধিক জেলে পরিবার অসহায় হয়ে পড়েছে।জানা যায়, উপজেলার সবকটি ইউনিয়নে সহস্রাধিক জেলে পরিবার রয়েছে। তারা সারা বছর মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে।
বর্ষা মৌসুমের শেষের দিকে এসে কিছুটা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে তিতাস নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছু অসাধু মাছ শিকারীর ম্যাজিক,কারেন্ট ও রিংজালে এসব মাছ ধরা পড়ায় মাছের প্রজনন বৃদ্ধি চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এরফলে এক দিকে যেমন দেখা দিয়েছে মাছের সংকট তেমনি বিপাকে পড়েছে জেলে পরিবার।
বাঞ্ছারামপুর  মাছ বাজার আড়তদার লুতফুর রহমান লাতু,কানাই চন্দ্র দাস,রশিদ মিয়া প্রমূখ বলেন, অন্যান্য বছর বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিন শত শত টন মাছের আমদানি হতো। কিন্তু এবারে বন্যা থাকায় দেশী প্রজাতির মাছ নেই বললেই চলে।অন্যদিকে,এসব নিষিদ্ধ জাল বিভিন্ন ইউনিয়নের সাপ্তাহিক হাটে সহ বাঞ্ছারামপুর সদরের মওলাগন্জ বাজারের হাটে প্রতি রবিবার প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য  কর্মকর্তা সাঈদা আক্তার বলেন, “বিভিন্ন স্থানে ম্যাজিক জাল সহ রিংজালের ব্যবহার হচ্ছে। আমরা এগুলোর প্রতিরোধে গত জুলাই মাসে অভিযানও পরিচালনা করছি। কিন্তু, এখন অফিসে লোকবলের অভাবে সম্ভব হচ্ছে না।তবুও, অভিযান পরিচালনার জন্য চেষ্টা করবো।”

এ জাতীয় আরও খবর

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

সরকারি চাকরীজীবীরা কাজের সঙ্গে চুরিও করে: পরিবেশমন্ত্রী