,

সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় মেট্রোরেল ও আন্তঃনগর ট্রেন

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ১৮ জুলাই থেকে বন্ধ থাকা মেট্রোরেল এবং আন্তঃনগর ট্রেন চলাচলের উপযোগী রয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে রেলওয়ে এবং মেট্রোরেলের দায়িত্বে থাকা ডিএমটিসিএল।

রেলওয়ে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের অধীন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন কোম্পানি ডিএমটিসিএল। রেল এবং সড়ক উভয় মন্ত্রণালয় নিজের হাতে রেখেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার কাছ থেকে সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় চালু হচ্ছে না মেট্রোরেল এবং ট্রেন।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট পতন হয়েছে শেখ হাসিনার সাড়ে ১৫ বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে গত ১৮ জুলাই বন্ধ হয়ে যায় ট্রেন চলাচল। একই দিনে বন্ধ হয় মেট্রোরেল। পরের দিন মেট্রোরেলের মিরপুর-১০ এবং কাজীপাড়া স্টেশনে হামলা চায় দুর্বৃত্তরা। কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও নিরূপণ করা হয়নি।

তৎকালীন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছিলেন, এক বছরের বেশি সময় লাগবে মেট্রোরেলে স্টেশন দুটি মেরামতে। এই দুই স্টেশন বন্ধ রেখে মেট্রোরেল চলাচল শুরুর প্রস্তুতি রয়েছে। তবে সরকারের অনুমোদন লাগবে।

মেট্রোরেল চালুর বিষয়ে ডিএমটিসিলের কোনো কর্মকর্তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। কোম্পানি সূত্র জানিয়েছে, দুই স্টেশন ছাড়া বাকি কিছু ঠিক আছে। প্রধান উপদেষ্টার অনুমতি লাগবে মেট্রোরেল সচল করতে। তাঁর সঙ্গে সরাসরি নয়, মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে হবে। কিন্তু মন্ত্রণালয়েই কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না। সড়ক সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নুরী চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে দায়িত্ব পালন করছেন। পটপরিবর্তনের কারণে তিনি থাকবেন কি না তা স্পষ্ট নয়। গত ৫ আগস্টের পর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

অন্যদিকে একই অবস্থা রেলে। রেল সচিব ড. হুমায়ুন কবীর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে দায়িত্ব পালন করছেন। রেলওয়ে কর্মকর্তারা সমকালকে বলেছেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মন্ত্রণালয় মারফত যোগাযোগ করতে হবে। রেলের মহাপরিচালক সরদার সাহাদাত আলী সমকালকে বলেছেন, ট্রেন চালু করতে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর অনুমতি প্রয়োজন।

চলাচল বন্ধ থাকলেও গত বৃহস্পতিবার থেকে ডিএমটিসিএলের ১০ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ছয় দফা দাবিতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করেছেন। সেদিন তাদের মানববন্ধনে বলা হয়, বৈষম্যমূলক বেতন কাঠামোতে প্রত্যেক কর্মচারী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। মেট্রোর কর্মীরা প্রতিনিয়ত বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন, যা উন্নীত করে বৈষম্য দূর করা প্রয়োজন। তাই দাবি আদায় না হলে তারা কর্মবিরতি পালন করবেন।

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট