,

বাড়তি ভাড়ায় যাত্রী নাকাল

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : কলকারখানা ছুটির পর নিয়‌মের তোয়াক্কা নেই বাসের ভাড়ায়। সারা বছর লোকাল হিসেবে চলে যেসব বাস, ঈদ সামনে রেখে এসব বাসেও আদায় করা হচ্ছে দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া। বাস মালিক ও চালক-শ্রমিকদের ভাষ্য, যাত্রী ধরতে সারা বছর কম ভাড়া রাখেন তারা। ঈদে সরকার নির্ধা‌রিত এবং বাসের শেষ গন্তব্যের ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এতে ভাড়া কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর গাবতলী ও মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে সরেজমিনে এ চিত্র দেখা গেছে। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহের ভাড়া ৩১৫ টাকা। এতদিন যেসব লোকাল বাস ১৫০ থেকে ২০০ টাকা নিতো সেগুলো এখন ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে।

নেত্রকোনায় যাওয়ার জন্য সকালে মহাখালী বাস টার্মিনালে আসেন প্রকৌশল কলেজের ছাত্র মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাকিল। তাঁর কাছে শাহজালাল এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম চাওয়া হয় ৮০০ টাকা। অথচ এই রুটে নিয়মিত ভাড়া ৪০০ টাকা।

ভাড়া বাড়তির বিষয়ে প্রশ্ন করলে কাউন্টারে বসে থাকা টিকিট বিক্রেতা দাবি করেন, ঢাকামুখী বাস খালি আসছে। তাই আসা-যাওয়ার ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। প্রতি বছরই এভাবে নেওয়া হয় বলে স্বীকার করেন তিনি।

এদিন বেলা ১১টার দিকে মহাখালীতে অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। সংস্থাটির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার এ বিষয়ে বলেন, অনেক বাসে সারা বছর কম ভাড়া নেওয়া হয়। এখন সরকার নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এই ভাড়াকে তাই অবৈধ বলা যাবে না বলে মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রতি টার্মিনালে বিআরটিএর ভিজিল্যান্স টিম কাজ করছে, ম্যাজিস্ট্রেটও রয়েছে। বাড়তি ভাড়াআদায় বিষয়ে যথাযথ অভিযোগ এলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

মহাখালী টার্মিনালে রাজীব পরিবহনের বাসে ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ৬০০ টাকা ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। ওই পরিবহনের একটি বাসের চালক আজিজুল জানালেন, যাত্রী যেখানেই নেমে যান না কেন, তারা শেষ গন্তব্য জামালপুরের ভাড়া নিচ্ছেন।

যদিও এই বাসে ঢাকা থেকে জামালপুরের নিয়মিত ভাড়া ৪৫০ টাকা। মহাখালী টার্মিনালে শুধুমাত্র এনা পরিবহনেই সরকার নির্ধারিত ভাড়া আদায় করতে দেখা যায়। তবে তাদের বাসের টিকিটের জন্য কয়েক ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে যাত্রীকে। বেলা তিনটার দিকে কামলা হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন, তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার পর টিকিট হাতে পেয়েছেন।

ময়মনসিংহগামী সৌখিন পরিবহনের বাসের টিকিকের জন্য তেমন চাপ দেখা যায়নি। এই পরিবাহনের চালকের সহকারী-কন্ডাক্টররা ৬০০ টাকা ভাড়ার চুক্তিতে যাত্রী তুলছিলেন। যদিও তাদের নিয়মিত ভাড়া এর অর্ধেক।

গাবতলী টার্মিনালেও একই অবস্থা। ৪০ আসনের বাসে ঢাকা-রাজশাহী রু‌টে সরকার নির্ধা‌রিত ভাড়া ৭১২ টাকা। টা‌র্মিনাল থে‌কে যেসব বাস চ‌লে, সেগুলো‌তে ৩৫০ থে‌কে ৪০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হতো। ঈদযাত্রায় নেওয়া হচ্ছে ৭০০ টাকা করে। একই অবস্থা ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-রাজশাহী ও উত্তরবঙ্গের প্রায় সব রুটের বাসে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না