,

আইএমএফের চোখ রিজার্ভের হিসাবায়ন ও ব্যাংকের তারল্য সহায়তায়

news-image

নিউজ ডেস্ক : দেশের বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের হিসাবায়নে বাংলাদেশ ব্যাংক কি পদ্ধতি ব্যবহার করছে সে বিষয়ে জানতে চেয়েছে ঢাকায় সফররত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কারিগরি সহায়তা দল। পাশাপাশি ব্যাংকে দেওয়া তারল্য সহায়তার খুঁটিনাটি বিষয়েও জানতে চেয়েছে দলটি। বিশেষ করে শরিয়া পরিচালিত ইসলামি ধারার ব্যাংকগুলোকে জন্য শরিয়া লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটি (এলএসএফ) এর প্রতি বাড়তি নজরদারি দিতে পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি।

সোমবার (১৪ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব বিষয় জানতে চেয়েছে সংস্থাটির চার সদস্যের কারিগরি সহায়তা কমিটি দল।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আইএমএফের উদ্দেশ্য হলো সম্ভাব্য এক্সটেন্ডেড ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি, এক্সটেন্ডেড ফান্ড ফ্যাসিলিটি প্রোগ্রাম এবং নতুন তৈরি রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) অধীনে আগামীতে কিভাবে কাজ করবে সে বিষয়ে কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন করা। এ ক্ষেত্রে চলমান মুদ্রানীতি, নীতি সুদহারের করিডর প্রথা, স্মার্ট সুদের হার বাস্তবায়নে কোনো ত্রুটি থাকলে তা দূর করে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এটি আইএমএফের কারগিরি কমিটির নিয়মিত কাজের অংশ। তারা মুদ্রানীতির বাস্তবায়ন, ব্যাংকগুলোকে তারল্য সহায়তার মাধ্যমে গ্রাহকের আস্থা ধরে রাখা এবং স্বল্পকালীন সুদের ঋণ নিয়ে জানতে চেয়েছেন। এ ছাড়া রিজার্ভ হিসাবের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কী ধরণের টুল ব্যবহার করছে তার বিষয়েও জানতে চেয়েছে। আমরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবারহ করেছি।

গত ৬ আগস্ট আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসে। সফরের অংশ হিসেবে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে পুনরায় বৈঠক করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ব্যাংকগুলো নিজেদের প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তারল্য সুবিধা নেয়। এটা একটা চিরাচরিত নিয়ম। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী নিলামের মাধ্যমে স্বল্পকালীন তারল্য সহায়তা প্রদান করা হয়। আইএমএফের মিশনটি বাংলাদেশ ব্যাংকে টেকনিক্যাল সাপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে এসেছে। এসব টেকনিক্যাল সাপোর্টের বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না।’

গত ১৮ জুন ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের জন্য মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে নীতি সুদহারের করিডর প্রথা, সুদহারের সীমা প্রত্যাহার ও রিজার্ভের প্রকৃত হিসাবায়নসহ নানা বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। আর চলতি বছরের ১৩ আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংকগুলো মোট তারল্য সুবিধা নিয়েছে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। তার মধ্যে বেশির ভাগ অর্থ নিয়েছে ইসলামি ধারার শরিযা ব্যাংকগুলো।

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট