,

রোহিঙ্গারা খাদ্য সংকটে : জাতিসংঘ

news-image

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : খাদ্য সংকটে রয়েছে মিয়ানমারের নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা। আসছে মার্চ মাসে এসব রোহিঙ্গাদের ১৭ শতাংশ রেশন কমিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এতে করে বিপর্যয়কর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে জেনেভা থেকে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশের শিবিরে বসবাসরত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবনরক্ষাকারী খাদ্য সহায়তা হ্রাস করা হলে বিপর্যয়কর পরিণতি ডেকে আনতে পারে বলে সতর্ক করেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা। ফলে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অনুদানের জন্য জরুরি আবেদন জারি করেছেন তারা।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেন, পরিকল্পিত যে রেশন ছিল, তা কমানো হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের মৌলিক চাহিদা পূরণের উদ্যোগের জন্য তহবিল সরবরাহ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ। রমজানের ঠিক আগে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য রেশন কমানো হবে। এটা অযৌক্তিক।

ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা মার্চ মাসে রোহিঙ্গা রেশন ১৭ শতাংশ কমিয়ে দেবে। এপ্রিলের মধ্যে নতুন করে অর্থায়ন না আসলে রেশন আরও গভীরভাবে কাটছাঁট করতে হবে। এটি পরিস্থিতি এড়াতে ১২ কোটি ডলারের অর্থায়ন দরকার।

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি রেশন কমিয়ে দেওয়া হয়, তা হবে এ অনিরাদপ মানুষগুলোর ওপর নতুন বোঝা চাপিয়ে দেওয়া। রোহিঙ্গাদের মধ্যে এমনিতেই তীব্র অপুষ্টির মাত্রা উচ্চ রয়েছে। এক তৃতীয়াংশেরও বেশি শিশু কম উচ্চতার (স্টানটেড) ও কম ওজনের। রেশনের এ কাটছাঁটের প্রভাবগুলো অবিলম্বে ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু, কিশোরী মেয়েরা এবং গর্ভবতী এবং বুকের দুধ খাওয়ানো মায়েরাসহ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণরা বিশেষভাবে আক্রান্ত হবেন। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর গণহত্যার আক্রমণ থেকে বেঁচে যাওয়া রোহিঙ্গারা এখন তাদের খাদ্যের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যর্থতার শিকার বলেও মন্তব্য করেন তারা।

খাদ্য সহায়তা কমে গেলে রোহিঙ্গারা আরও মরিয়া হয়ে উঠবে। যা শিবিরগুলোতে আরও সহিংসতা এবং অস্থিরতা বাড়াতে পারে। এটি একটি মানবাধিকার রক্ষার উদ্বেগের দিকে নিয়ে যেতে পারে। মানবপাচারের উচ্চতর ঝুঁকি, বিশেষ করে শিশু ও মেয়েদের এবং আরও বেশি রোহিঙ্গারা বিপদজনক সমুদ্রে নৌকা ভ্রমণের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না