,

‘আওয়ামী লীগ এখন দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের ওপর ভর করেছে’

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগ এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অংশ, কিছু সরকারি কর্মকর্তা ও দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ীদের ওপর ভর করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘তারা আজ জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী বসবাস করছে। সামনে আরও একাকী হয়ে যাবে, তখন তারা আর জনগণের কাছে যেতে পারবে না। যারা আওয়ামী লীগকে অবৈধভাবে রক্ষার চেষ্টা করছেন, আমরা তাদের বার্তা দিচ্ছি- আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেশের সংবিধান মোতাবেক এ দেশের জনগণকে সুরক্ষা দেবে। জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। সন্ত্রাসীদের বাধাগ্রস্ত করবে। সাংবিধানিক অধিকার কেউ বাধাগ্রস্ত করতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’

আজ বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরীর নুর আহমদ সড়কে নাসিমন ভবনের দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

১০ দফা দাবি বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র হত্যা দিবস ও বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবি জানিয়ে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সমাবেশ করে চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি।

আমীর খসরু বলেন, আওয়ামী লীগ বাকশাল গঠন করে হাজার হাজার মানুষকে ও মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করেছে। তারা রক্ষীবাহিনী গঠন করেছিল। সেসময় তারা রাষ্ট্রের সব সম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে। সব ক্ষমতা রাষ্ট্র প্রধানের হাতে তুলে দিয়েছে। বর্তমান দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন রক্ষীবাহিনী হয়ে না যায় সেই আহ্বান তাদের জানাই।

তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অংশ সংবিধানকে সুরক্ষা দেওয়ার পরিবর্তে জনগণকে তার সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। তারা বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান করছে। আপনারা যদি জনগণের বিশ্বাস, আস্থা, সম্মান রক্ষা করতে না পারেন তাহলে দেশে আইনের শাসন প্রবর্তন করতে পারবেন না। গায়েবি মামলা, মিথ্যা মামলা, গ্রেপ্তার, ভয়-ভীতি দেখিয়ে সংবিধান রক্ষা করতে পারবেন না। জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না। আপনারা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করছেন না। আপনারা আজ ব্যর্থ।’

বর্তমানে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হনন করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘বাকশাল হচ্ছে ভোট চুরির মেশিন। ১৯৭৫ সালে এ দিনে নির্বাচনে যেন তাদের যেতে না হয় সব দল বাতিল করে বাকশাল নামক একটি স্বৈরাচারী দলের জন্ম তারা দিয়েছিল। অর্থাৎ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের কাছে যাওয়ার তাদের কোনো ইচ্ছা ছিল না। সঙ্গে সঙ্গে তারা আইনের শাসনকে নিজের হাতে নিয়ে ফেলেছিল। আইনের শাসনের অধিকার তারা কেড়ে নিয়েছিল। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা তারা হনন করেছিল।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আজও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই। সেদিনও গণমাধ্যমের গলা টিপে ধরা হয়েছিল। সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল। চারটি সরকারি পত্রিকা রাখা হয়েছিল। গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের জানার অধিকারকে তারা আজ ভূলুণ্ঠিত করতে চাইছে।’

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে আয়োজিত সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল উদ্দীন মজুমদার, ভিপি হারুনুর রশীদ। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মনজুর আলম চৌধুরী মঞ্জু ও মো. কামরুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য দেন উত্তর জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ হালিম, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বান অ্যাড আবদুস সাত্তার, শফিকুর রহমান স্বপন, ইসকান্দর মির্জা প্রমুখ।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না