,

বাণিজ্য মেলার সময় এক সপ্তাহ বাড়ানোর দাবি

news-image

নারায়গঞ্জ প্রতিনিধি : ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ২৭তম আসর প্রায় শেষের দিকে। বিগত দিনের শীতের আবহ আর যানজটের প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে আজ শুক্রবার দিনভর ক্রেতা ও দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়লেও লোকসানের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আজ শুক্রবার সকাল থেকেই ক্রেতা-দর্শনার্থীরা মেলায় এসেছেন। বেচা-কেনা বেড়েছে অনেক বেশি। মেলার স্থায়ী প্যাভিলিয়নসহ বিভিন্ন স্টলে ভিড় দেখা গেছে। দুপুরের পর ভিড় বাড়তে থাকে। বিকেলে পুরো মেলা প্রাঙ্গণ জমজমাট হয়ে ওঠে। তবে কেনাকাটার চেয়ে মেলায় আগতরা ঘোরাফেরা বেশি করেছেন।

মেলায় কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ‘পয়লা জানুয়ারি বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন হলেও অনেকে স্টল নির্মাণকাজ শেষ হয় ৭-৮ তারিখে। এতে বেশিরভাগ স্টল মালিকরা ব্যবসায় পিছিয়ে গেছেন। এছাড়া মেলা জমতেও সময় লেগেছে।’

একটি স্টলের মালিক ফাইজুল করিম আমাদের সময়কে বলেন, ‘এবারের আসর শুরুর আগে সময় কম পাওয়ায় স্টল নির্মাণকাজ সম্পন্ন করতে দেরি হয়েছে। তাই মেলার অষ্টম দিন থেকে পুরোপুরিভাবে স্টলে বেচাকেনা শুরু করতে পেরেছি। এক সপ্তাহ সময় বাড়ানো না হলে লোকসানের সম্মুখীন হতে হবে।’

মেলার আরেক ব্যবসায়ী ফারদীন করিম বলেন, ‘মেলায় দর্শনার্থীর সংখ্যা বেশি হলেও বেচা-কেনা হচ্ছে কম। তাই বেচা-কেনা বাড়াতে ছাড় দিতে হচ্ছে। তারপরও আশানুরূপ বেচা-কেনা হচ্ছে না।’

তুর্কি প্যাভিলিয়নের নাইম ইসলাম বলেন, ‘মেলায় আগতরা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বেশি কিনছেন। বিলাসবহুল বা কম প্রয়োজনীয় পণ্য কিনছেন কম। এজন্য কয়েকদিন সময় বাড়ানো প্রয়োজন।’

মেলায় প্যাভেলিয়ন, প্রিমিয়ার প্যাভেলিয়ন, মিনি প্যাভেলিয়ন, সাধারণ স্টলে বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধক সামগ্রী, ইলেকট্রনিকস পণ্য, পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য ও জুতা, খেলার সামগ্রী, খেলনা, স্টেশনারি, জুয়েলারি, সিরামিকস পণ্য, মেলামাইন পণ্য, দেশি বস্ত্র, আসবাবপত্র, হস্তশিল্প পণ্যসহ নানা ধরনের পণ্য বিক্রি হচ্ছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী আমাদের সময়কে বলেন, ‘মেলা শেষের দিকে জমজমাট হচ্ছে। বিক্রিও প্রায় প্রতিদিনই বাড়তে শুরু করেছে। তবে স্টল মালিকরা অনেকেই সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশীয় পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিপণন ও উৎপাদনে সহায়তার জন্য এ মেলার আয়োজন করা হয়। আগে বাণিজ্য মেলা শেরে বাংলা নগরের চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের খোলা মাঠে হতো। ২০২২ সাল থেকে পূর্বাচলের বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার প্রাঙ্গণ মেলার জন্য নির্ধারিত হয়েছে। পূর্বাচলে যাতায়তের দূরত্ব বেশি হওয়ায় তুলনামূলকভাবে জনসমাগম কম হচ্ছে বলে দাবি করছেন ব্যবসায়ীরা।’

মেলার প্রবেশদ্বার ইজারাদার অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন রাজিব বলেন, ‘আগের তুলনায় ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি কম।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

মাদক প্রতিরোধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জেলা প্রশাসকের

প্রাণ-আরএফএল পাবলিক স্কুলে ৮ শিক্ষক নিয়োগ

নির্বাচন সামনে রেখে ‘ক্লিনহার্ট’ অভিযান নয়, অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা

নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার মোবাইল ল্যাব পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

২৬ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার যাবে মহানগর এক্সপ্রেস

বিএনপি নেতা সালাউদ্দিনের জানাজা সম্পন্ন

এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট করলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী

চীনের ঋণ কমিয়ে যৌথ বিনিয়োগে যেতে চায় বাংলাদেশ

নবীনগরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পুলিশের প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

আইভীর স্লোগানের পর আইনজীবীসহ গ্রেপ্তার ৩

উত্তরায় শ্রমিকদের অবরোধ, বিমানবন্দর সড়কে যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, কাজ করছে ২০ ইউনিট