,

৩৩ মাস পর বড়পুকুরিয়া থেকে ওঠে গেল করোনার বিধিনিষেধ

news-image

দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুর পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকায় দীর্ঘ ২ বছর ৯ মাস পর করোনার বিধি নিষেধ প্রত্যাহার করে নিয়েছে খনি কর্তৃপক্ষ। এখন থেকে শ্রমিকদের অবাধ চলাফেরা করতে আর কোনো বিধি নিষেধ থাকবে না।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সাইফুল ইসলাম সরকার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ শনিবার থেকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এলাকায় শ্রমিকদের জন্য করোনা বিধি নিষেধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি এমডি সাইফুল ইসলাম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে আজ দুপুর ২টার দিকে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, সারা দেশে করোনা মহামারি কারণে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কর্মরত দেশী-বিদেশি প্রায় সাড়ে ৫ শতাধিক শ্রমিক করোনায় আক্রান্ত হয়। এরপর খনি কর্তৃপক্ষ এবং চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে খনি এলাকায় নিরাপদে থেকে শ্রমিকদের কাজ করার নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। স্বাস্থ্য বিধি মেনে খনির মধ্যে শ্রমিকসহ খনিতে কর্মরত সংশ্লিষ্ট সকলকে খনিতে কাজের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী আইসোলিশনে থেকে কাজ করার বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়। স্বাস্থ্য বিধি মেনে কাজ করার কারণে খনিতে কয়লা উত্তোলন কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে। কিন্তু শ্রমিক ও খনি সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তারা নিরাপদে রয়েছেন।

এমডি সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, আজ দুপুর থেকে করোনা বিধি নিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ফলে আগামীকার রোববার নতুন বছর ২০২৩ সালের সকাল থেকে শ্রমিক-কর্মচারীরা খনির প্রধান ফটক দিয়ে বিনা বাধায় চলাচল করতে পারবেন।

বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাকির হোসেনের সঙ্গে আজ দুপুর আড়াইটার দিকে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বৈশ্বিক করোনা মহামারি করোনা দেখা দেওয়ায় খনির উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়াম গত ২০২০ সালের ২৬ মার্চ খনি লকডাউন ঘোষণা করে। এর ফলে এক্সএমসি-সিএমসি অধীনে কর্মরত ১ হাজার ১৪৭ জন বাংলাদেশি শ্রমিক সমস্যায় পড়ে যান। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের বেতন ভাতা বন্ধ করে দেয়। এ অবস্থায় কাজে যোগদান ও বকেয়া বেতনভাতার দাবিতে খনি শ্রমিক ও আউটসোর্স কর্মচারীরা বিক্ষোভ-সমাবেশে, সড়ক অবরোধ শুরু করে আন্দোলনে যায়। পরে কঠোর বিধি নিষেধ আরোপ করে এক্সএমসি-সিএমসি পর্যায়ক্রমে গত ২০২০ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে প্রায় সাড়ে ৪ শত শ্রমিক-কর্মচারীদের কাজে যোগদান করায়। তবে খনি কম্পাউন্ডের ভিতরে সার্বক্ষণিক এসব শ্রমিককে অবস্থান করতে হয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না