,

কোথায় গিয়ে থামবেন ভ্লাদিমির পুতিন

news-image

জাহাঙ্গীর সুর
মস্কোর চোখে দেখলে, ইউক্রেনে এরই মধ্যে জয় তুলে নিয়েছে রাশিয়া। অনেকটা ক্রিমিয়ার ধাঁচে পূর্ব ইউক্রেনের চারটি অঞ্চল অধিগ্রহণ করে নিয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের বাহিনী। কিন্তু পশ্চিমা আয়নায় দেখলে মনে হবে, ‘যুদ্ধে হেরে পুতিন দিশাহারা’। তবে ‘রুশচিন্তা ব্যর্থ’ বললেও পশ্চিমারা পুতিনকে নিয়ে আতঙ্কিত- তিনি আর কতদূর পর্যন্ত এগোবেন; চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে কি তিনি সত্যি সত্যি পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করতে পারেন? ঠিক, এসব প্রশ্ন নিয়েই তিন পশ্চিমা রাষ্ট্রচিন্তক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকের সঙ্গে আলাপ করেছে দৈনিক আমাদের সময়। এমন প্রশ্নও তোলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র কি কোনো কারণে এই যুদ্ধ বন্ধের কথা না ভেবে বরং যুদ্ধ জারি রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে? কথা বলেছেন দুই ব্রিটিশ অধ্যাপক ক্রিস্টোফ ব্লাথ ও রবার্ট ডোভার এবং মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলেজান্দার মটিল। চলতি সপ্তাহে ইমেইলে তাদের সঙ্গে আলাপ করেছেন এ লেখক।

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সম্ভাব্য সম্প্রাসরণে রাশিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ায় পুতিনের নির্দেশে ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সর্বাত্মক সামরিক আগ্রাসন শুরু করে মস্কো। দখলের পর গত মাসে বিতর্কিত এক গণভোটের মাধ্যমে ইউক্রেনের ১৫ শতাংশ ভূখ- অধিগ্রহণ করে নিয়েছে রাশিয়া।

পুতিন এখন কী চান? তিনি কোথায় গিয়ে থামবেন?

ব্রিটিশ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ক্রিস্টোফ ব্লাথ আমাদের সময়কে বলেছেন, ‘রুশ সাম্রাজ্য পুনর্গঠন করতে চান পুতিন। মরিয়া হয়ে উঠেছেন ইউক্রেনকে পুরো গ্রাস করার জন্য। তবে তিনি চার পূর্বাঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত করার পর পুরো ইউক্রেন দখলের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতেও পারেন।’

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ব্র্যাডফোর্ডের অধ্যাপক ব্লাথ আরও বলেন, ‘এখন মনে হচ্ছে- রাশিয়া সংঘাত সীমিত করতে চায়। কিন্তু পুতিনের নিজের টিকে থাকাই যদি ঝুঁকির মুখে পড়ে, তা হলে যুদ্ধাবস্থা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।’

ব্রিটিশ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ রবার্ট ডোভার আমাদের সময়কে বলেছেন, ‘আমরা যা বলতে পারি তা হলো, [পুতিনের] মূল পরিকল্পনা ছিল পুরো ইউক্রেন দখল করা। ধরুন, পুতিন বাহিনী ইউক্রেনের প্রায় ৫০ ভাগ ভূখ-ে দ্রুততার সঙ্গে অগ্রগতি অর্জন করেছে এবং এ কারণে বর্তমান [জেলেনস্কি] সরকারের পতন প্রায় নিশ্চিত, পরিবর্তে রুশপন্থি নতুন সরকার গঠনের সম্ভাবনা জাগলেই পুতিন ধরে নেবেন তার লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে। কিন্তু ইউক্রেনের সামরিক সাফল্যের কারণে মস্কোর সেই পরিকল্পনাটি মস্তরকম ভেস্তে যাচ্ছে। এখন পুতিনের লক্ষ্য বরং অধিগ্রহণ করা চারটি সংযুক্ত অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা; অথচ অঞ্চলগুলোয় রুশদের আঞ্চলিক আধিপত্য নেই।’

ইউক্রেনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী আলেজান্দার মটিল আমাদের সময়কে বলেছেন, ‘দেখুন, খেরসন প্রদেশ পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। জাপোরিজিয়ায় মাত্র অর্ধেক অংশে রুশদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইউক্রেন সেনাবাহিনী বছরের শেষ নাগাদ লুহানস্কের বেশিরভাগ অংশ পুনরুদ্ধার করার আশা করছে। এখন বরং এই প্রশ্ন দেখা দিয়েছে : পুতিন কি আদৌ অধিগ্রহণ করা অঞ্চলগুলো ধরে রাখতে পারবেন? অবশ্য আমি বলব, পুরো ইউক্রেন দখলের লক্ষ্য পূরণের পর বাল্টিক রাষ্ট্রগুলোয় আক্রমণ চালাতে পারেন পুতিন।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না