,

নির্বাচনী প্রচারণায় অতিষ্ট কুবি শিক্ষার্থীরা

news-image

কুবি প্রতিনিধি : কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনকে ঘিরে দিনভর প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় সরগরম হয়ে উঠছে নগরী। নগরের অলিগলি ছেয়ে গেছে পোস্টার এবং ব্যানারে। নগরের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ও চলছে প্রচারণা এবং জনসংযোগ। দিনভর মাইকিং আর ঢোল-তবলার আওয়াজে সৃষ্টি হচ্ছে উচ্চ মাত্রার শব্দদূষণ। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ২৪ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ৫ মিনিট বিরতি দিয়ে জনসংযোগ করেন প্রার্থী সমর্থিত নেতা কর্মীরা। কেউ সিএনজি আবার কেউ ব্যাটারি চালিত অটোরিকশায় বিভিন্ন স্লোগানে জনসংযোগ করেন। আবার দেশের জনপ্রিয় গানগুলোর কথা পাল্টে প্রার্থীদের ভোট প্রার্থনায় ব্যবহার করা হচ্ছে জনপ্রিয় এসব গানের সুর।

এতে যেমন শব্দ দূষণ হচ্ছে, তেমনি বিরক্ত হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। অনেক শিক্ষার্থীদের মাইকিং দেখলে কান চেপে ধরে দূরে সরে যেতে দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে উচ্চমাত্রায় মাইকিং করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

যদিও নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারকাজে একটি ওয়ার্ডে একের অধিক মাইক ও নির্বাচনী এলাকায় মাইক বা শব্দের মাত্রা বৃদ্ধি করে এমন অন্য কোনো যন্ত্রের ব্যবহার করা যাবে না। বেলা দুইটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত মাইকিং করে প্রচারণা চালানোর নিয়ম থাকলেও, সেটি মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

আবার বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এর ক্ষমতাবলে শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা-২০০৬ প্রণয়ন করা হয়৷ বিধিমালার আওতায় নীরব, আবাসিক, মিশ্র, বাণিজ্যিক ও শিল্প এলাকা চিহ্নিত করে শব্দের মানমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে৷

আইনে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পার্শ্বে জেলা প্রশাসক অথবা কতৃপক্ষের শব্দের মান বেধে দেয়ার কথা থাকলেও এ বিষয়ে এযাবৎকালে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায় নি বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম বলেন, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে উচ্চ আওয়াজে বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশেপাশের এলাকায় মাইকিং করা হচ্ছে। যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশেপাশের এলাকার আবাসিক হল ও মেসের শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটছে। তাই প্রশাসনের উচিত মাইকিং করার বিষয়টিতে সীমাবদ্ধতার ব্যবস্থা করা।

নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী নাদিয়া সুলতানা বলেন, মাইকিং ও গান বাজনার বিকট শব্দে শব্দদূষণের সৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের অনেকের সেমিস্টার চলতেছে যার ফলে বিকট শব্দের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অসুবিধা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচিত বিষয়টি সমাধান করা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী রানা বলেন, ‘আমি বিষয়টা এর আগে জানতাম না। এখন মাত্র জানলাম। আমি নির্বাচন কমিশনারের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নিবো।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, নির্বাচনী প্রচার- প্রাচরণা অফ রাখতে তো আর বলতে পারবো না। দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মাইক ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু কেউ যদি এর ব্যাত্যয় ঘটায়, তাহলে তিনি নির্বাচনি বিধি লঙ্ঘন করছেন। তা যদি আমাদের চোখে পড়ে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না