,

হাটিকুমরুলের সেই চিরচেনা যানজট নেই, সড়ক ফাঁকা

news-image

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : এবার ঈদে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়কের চিত্র একেবারেই ভিন্ন। সোমবার সকাল থেকেই নলকা সেতু হয়ে হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় পুরো রাস্তা ফাঁকা। যানও নেই, জটও নেই। দুই-একটি যানবাহন চোখে পড়ছে। একদিন আগেও এই মহাসড়কে হালকা যানজট ছিল। গাড়ির গতিও ছিল খুবই কম। কিন্তু আজকের চিত্র একেবারে আলাদা। ঈদের আগে গত ২০ বছরে এমন চিত্র কখনও দেখা যায়নি।

প্রতি বছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার আগে রাজধানী ঢাকা থেকে এ অঞ্চলের মানুষজন নাড়ির টানে গ্রামে ফিরে যান। এজন্য ঈদের অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে বিশেষত বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ সড়ক থেকে হাটিকুমরুল গোল চত্বর পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার রাস্তায় সৃষ্টি হয় ব্যাপক যানজট।

সোমবার বেলা ১২টায় উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার খ্যাত হাটিকুমরুলে গিয়ে দেখা যায় পুরো রাস্তা ফাঁকা। মাঝে মাঝে দুই-একটি বাস-ট্রাক বা প্রাইভেটকার দ্রুত গতিতে যাচ্ছে। ঈদের আগের দিন এমন চিত্র অভাবনীয়। হাটিকুমরুলে কথা হয় স্থানীয় সড়াতৈল মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নান তালুকদারের সঙ্গে। তিনি জানালেন, হাটিকুমরুল গোলচত্বরে ঈদের আগে এমন ফাঁকা রাস্তা তিনি গত ২০ বছরে দেখেননি। এ যেন এক ভিন্ন চিত্র।

একই কথা বললেন সিরাজগঞ্জের সলংগা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাদের জিলানী। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে ঘুরে-ফিরে উল্লাপাড়া মডেল থানা, হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানা ও সলংগা থানায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এই ১০ বছরে ঈদের আগের দিন ব্যস্ততম ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের এই চিত্র তিনি এর আগে কখনও দেখেননি। এই রাস্তায় এখনও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জানান, সোমবার এই মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা খুবই কম। যারা সোমবার বাড়ি ফিরছেন তারা একেবারেই দুভোর্গ ছাড়াই গেছেন।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফর রহমান নিজেও বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, হাটিকুমরুল গোলচত্বর ঈদের আগে ও পরে প্রতিবছর চরম দুভোর্গের স্থান হিসেবেই স্বীকৃত। অথচ এ বছর ঈদের আগের দিন থেকেই বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত পুরো রাস্তা ফাঁকা। যানবাহন চলাচলও খুবই সীমিত।

এমন ভিন্ন চিত্রের কারণ হিসেবে লুৎফর রহমান জানান, প্রথমত এ বছর ঈদের ছুটির আগে সাপ্তাহিক ও মে দিবসের মোট তিন দিন ছুটি যুক্ত হওয়ায় ঘরমুখো মানুষ তাদের কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার বড় সুযোগ পেয়েছে। ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে ঈদের ৩-৪ দিন আগে থেকেই গ্রামে যাত্রা শুরু করেন তারা। সেই সঙ্গে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মহাসড়ক সময়মতো সংস্কার ও এই সড়কে কর্মকর্তাদের ব্যাপক নজরদারি যানবাহন চলাচলের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে অনেক বেশি সহযোগিতা করেছে।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিজেরা ঈদের ছুটি ভোগ না করে মহাসড়কে মানুষের ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নিবিঘ্ন করতে উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি বঙ্গববন্ধু সংযোগ সড়কে নবনির্মিত নলকা সেতুর একাংশ গত ২৫ এপ্রিল যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ায় যানজট অনেকটাই কমে আসে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না