,

পুরো বিশ্বকাপে ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিল না মাহমুদউল্লাহরা

news-image

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ঘরের মাঠে টানা অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে সিরিজ জয়ের পর বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে দারুণ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই স্বপ্ন দেখেছিলেন অতীতের বৃত্ত ভেঙে এবার অন্তত সেমি-ফাইনালে খেলবে দল। যদিও আগের সবকয়টি আসরে মাত্র একটি জয় পাওয়া দলটির জন্য এটি ছিল আকাশ কুসুম কল্পনা। তবুও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের জোরে অনেকেই সেটা বিশ্বাসও করেছিল।

কিন্তু বিশ্বকাপে খেলতে গিয়ে শুরু থেকেই ছন্দপতন। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে হারের পর প্রথম পর্বের শুরুতেই স্কটল্যান্ডের সঙ্গে হোঁচট। আইসিসির সহযোগী দেশটির সঙ্গে করুণ পরাজয়ের পর মনোবল ভেঙে যায় ক্রিকেটারদের। যদিও পরের দুই ম্যাচে জিতে সেই মনোবল অনেকখানি ফিরিয়ে এনেছিল মাহমুদউল্লাহরা। পরপর দুই ম্যাচে জিতে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত করার পর আবারও ছন্দপতন। শ্রীলঙ্কা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সহজ ম্যাচ হাতছাড়ার পর ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে উড়ে যাওয়ার পর অর্জনের খাতা আবার শূন্য।

ঘরের মাঠে দারুণ পারফরম্যান্স করে বিশ্বকাপে খেলতে গিয়ে এত করুণ পরাজয়ের কারণ ঠিক কি ছিল? জানতে চাইলে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেন, ‘আমি নিজেও এসব উত্তর খুঁজতেছি। অনেক প্রশ্নের উত্তর আমি নিজেও জানি না। আপনি যদি বিগত সিরিজগুলো দেখেন, প্রথম ম্যাচ জিতেছি ভালো ফ্লো পেয়েছি, পরেরটা জিতেছি আবার ফ্লো পেয়েছি, আমাদের টিমের আমি মনে করি ফ্লো টা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যখন কোনো টুর্নামেন্ট শুরু করি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের কনফিডেন্ট বৃদ্ধির জন্য ফ্লো টা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। স্কটল্যান্ডের সঙ্গে হারের পর ওটা ইনিশিয়ালি ব্যঘাত হয়েছে, তারপর আমরা স্টাগল করেছি, যদি শ্রীলঙ্কার সাথে প্রথম ম্যাচটা আমরা জিততে পারতাম তখন হয়তো আমাদের সেই ফ্লো টা আসতো এবং সবার কনফিডেন্ট আরও বুস্টাপ হতো। কিন্তু এখন এ কথাগুলো তো বলেও লাভ নাই, আমরা বাজে পারফরম্যান্স করেছি, আমি খুব হতাশ যে আমরা যেভাবে ব্যাটিং করেছি এটা পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য।’

দল হিসেবে নিজেদের টি-টোয়েন্টিতে যাচাই করা হয়ে গেছে বাংলাদেশের। অধিনায়কের মতে, ‘টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে আমরা হোম কন্ডিশনে ভালো কিন্তু বিদেশে আমরা নিজেরাই দেখেছি আমাদের অবস্থানটা কোথায়। বড় টিমের সাথে লড়াই করতে গেলে আমাদের কতখানি নিজেদের ইম্প্রুভ করতে হবে, অনেক অনেক ইম্প্রুভ প্রয়োজন।’

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড