,

পৃথিবীর ‘সবচেয়ে নিঃসঙ্গ হাতি’ মুক্তি পাচ্ছে

news-image

অনলাইন ডেস্ক : সঙ্গীহীন এক দশক ও ৩৫ বছরের বন্দি জীবন থেকে মুক্তির স্বাদ পাচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃসঙ্গ হাতি হিসেবে পরিচিত ‘কাভান’। সেই শৈশব থেকে মানুষকে বিনোদন দিতে দিতে ক্লান্ত সে।

সংবাদমাধ্যম জানায়, কাভানের বিশেষ দিনটি উদ্‌যাপনের জন্য পাকিস্তানে সফরে আছেন গায়িকা-অভিনেত্রী চের। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে তার শিডিউলের বিস্তারিত গোপন রাখা হয়েছে।

কয়েক বছর ধরে প্রাণী অধিকারকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের দাবি মুখে পাকিস্তানি চিড়িয়াখানা ছাড়ার সুযোগ পেল কাভান।

গত ৩৫ বছর ধরে চিড়িয়াখানায় রয়েছে কাভান। ২০১২ সালে হারায় সঙ্গীকে। প্রাণীটি অতিরিক্ত ওজন, অপুষ্টিসহ নানা ধরনের সমস্যায় ভুগছিল। আচরণগত জটিলতাও তৈরি হয়েছে।

পাকিস্তানের আদালতের নির্দেশ রবিবার কম্বোডিয়ার একটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণাগারে ছেড়ে দেওয়া হবে কাভানকে।

কাভানের মুক্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে সরব চের। ফোর প’স নামের সংগঠন কাভানের জন্য লড়ছে সেই ২০১৬ সাল থেকে। তারা নতুন গন্তব্যে পৌঁছা পর্যন্ত এ হাতিকে সাহায্য করবে।

বলা হচ্ছে, পাকিস্তানের শেষ এশিয়ান হাতি কাভান। তাই সে ছিল পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তাকে দেখতে ভিড় জমে থাকত। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের উপার্জন হতো ঢের। আর মানুষের অর্থের লোভে এত বছর কাভানের কেটেছে শিকলে বন্দি অবস্থায়।

চিড়িয়াখানায় যাতে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে সেই জন্য হাতিটির ওপর নির্মম অত্যাচার চালায় কর্তৃপক্ষ। খাবার-দাবারের ওপর ছিল কর্তৃপক্ষের চরম ঔদাসীন্য। দিনের পর এভাবে থাকতে থাকতে কাভান মানসিক ও শারীরিকভাবে ভেঙে পড়ে। বছরের পর বছর ধরে শুধু অবহেলা ও অত্যাচার সয়েছে।

গত মে মাসে পাকিস্তানের হাই কোর্ট মারগাজার চিড়িয়াখানাকে কাভানকে মুক্তি দিতে নির্দেশ দেয়। ওই সময় চিড়িয়াখানায় প্রাণীদের রাখার ব্যবস্থার সমালোচনা করা হয়। এর পর সেপ্টেম্বরে শারীরিক পরীক্ষার পর কাভানের শোচনীয় অবস্থার কথা জানা যায়।

আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, কাভানকে যেন কোনো অরণ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়। যাতে সে মুক্তির স্বাদ পায়। এমন জায়গায় তাকে ছাড়তে হবে যেখানে খাবার ও পানির সরবরাহ থাকবে। আর সেই নির্দেশ মেনে এবার কাভানকে কম্বোডিয়ার ২৫ হাজার একরের বিশাল পশু সংরক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

শ্রীলঙ্কা সরকার ১৯৮৫ সালে কাভানকে উপহার হিসেবে পাকিস্তানে পাঠায়। ওই সময় তার বয়স ছিল এক বছর। শ্রীলঙ্কা-পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে সাবেক পাক স্বৈরশাসক জেনারেল জিয়া-উল-হক হাতিটি গ্রহণ করেন।

নিঃসঙ্গ কাভান পাগলের মতো আচরণ করতে থাকে ২০০২ সাল থেকে। পরে সে সঙ্গী হিসেবে পায় সহেলি নামের একটি হাতিকে। সহেলি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে যায়।

সহেলি ২০১২ সালে মারা গেলে কাভান ‘নিঃসঙ্গতম হাতি’ হয়। তখন থেকে তার আচরণ বেশি খারাপ হতে থাকে। এক সময় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ তাকে শিকল পরায়।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা