শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা সমস্যায় আঞ্চলিক নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়বে, চীনের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

news-image

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে দ্রুত ফেরত পাঠানো না হলে এ অঞ্চলে আঞ্চলিক নিরাপত্তার ঝুঁকি বাড়বে। রোববার চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংকে এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে জানিয়েছেন, কিছু রোহিঙ্গা মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি দু’দল রোহিঙ্গার সংঘর্ষে আটজন মারা গেছে। এ অবস্থায় মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হলে রোহিঙ্গারা এ এলাকার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলবে। কপবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় অপরাধের ঘটনা উত্তরোত্তর বাড়ছে বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার ফলে দিন দিন রোহিঙ্গা এবং বিদেশি সাহায্যকারী প্রতিষ্ঠানের ওপর স্থানীয় জনগণের অসন্তোষও ঘনীভূত হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সাহায্য প্রদান এবং জীবনমানের উন্নয়ন এ সমস্যা সমাধানের জন্য যথেষ্ট নয়। বরং তাদের নিজের দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

এ ছাড়া আলোচনায় বাংলাদেশ সীমান্তে মিয়ানমারের সেনা সমাবেশ ঘটানোর বিষয় তুলে এ ব্যাপারে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথাও চীনের রাষ্ট্রদূতকে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আলোচনাকালে চীনের রাষ্ট্রদূত পিরোজপুরে চীনা নাগরিকের হত্যার বিষয় তুলে ধরলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হবে। এরই মধ্যে ঘটনার প্রধান আসামিসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সরকার এ হত্যার বিচারে অত্যন্ত তৎপর। আলোচনায় করোনাভাইরাস মহামারির কারণে দেশে আটকেপড়া চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ভিসা নবায়নের বিষয়ে চীন সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এর জবাবে এ ব্যাপারে চীন সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান রাষ্ট্রদূত। রাষ্ট্রদূত আরও জানান, চীন এরই মধ্যে ব্যবসা ও পারিবারিক পুনর্মিলনের ক্ষেত্রে ভিসা দেওয়া শুরু করেছে।

রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইটি চীনা ভাষায় অনুবাদ করা হচ্ছে এবং তা খুব শিগগির প্রকাশ হবে। এ সময় রাষ্ট্রদূত চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি চিঠি ড. এ কে আব্দুল মোমেনকে হস্তান্তর করেন। আলোচনায় এক চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পূনর্ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ হলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মালদ্বীপের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বৈঠক

বোয়ালখালীতে ৫ শ্রমিকের মৃত্যু, মামলা ছাড়াই চলছে সমঝোতার চেষ্টা

১৭ বছর পর ইংল্যান্ড সফরে বাংলাদেশ, টেস্ট হবে লর্ডসে

২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের HSCপরীক্ষা শুরু

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তারেক রহমানকে মোদির আমন্ত্রণ

গাজী নজরুলের বহিষ্কার জানিয়ে ইসিকে চিঠি জামায়াতের

ইরান ইস্যুতে কঠিন কূটনৈতিক চাপে ট্রাম্প

মানবিক সহায়তায় আলোচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’

২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. খলিলুরের বৈঠক

তথ্যমন্ত্রীর নামে ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, সতর্কবার্তা