,

করোনায় কর্মহীন ৩ শতাধিক ইমাম পুরোহিত পরিবারের অসহায় জীবনযাপন

news-image

শেখ সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট : বাগেরহাটের কচুয়ায় কোভিড-১৯করোনা ভাইরাসের প্রর্দুভাবে মসজিদ ও মন্দিরের সাথে জড়িত প্রায় ৩ শতাধিক পরিবার অসহায় জীবন যাপন করছে। ধর্মীয় উপসানলয় সাধারনত মুসল্লী ও পুজারিদের দানেই চলে। আর এই দানের অংশ থেকেই বেতন হয় ইমাম,পুরোহিতদের। এ সামান্য বেতন দিয়ে তাদের কোন রকমের জীবন চালিয়ে যেতে হয়। কোভিড-১৯ এ আত্রান্তের সংখ্যা বিশ্বব্যাপি বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার মসজিদে না গিয়ে বাড়ীতে বসে নামাজ পড়ার সিদ্ধান্ত দেন। এতে বেশিরভাগ মুসল্লীরা ঘরে বসেই নামাজ পড়েন ও হিন্দুরা ঘরে বসেই পূজা-অর্চনা করে। মসজিদে মুসল্লি ও মন্দিরে পুজারীদের উপস্থিতি না থাকায় ইমাম ও পুরোহিতরা তাদের বেতন পাচ্ছেননা। বেতন না পাওয়ায় অধিকাংশ পরিবার নিয়ে চরম অর্থ কস্টে রয়েছেন।

জানাগেছে, কচুয়া উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে ১৯৬ টি মসজিদ ও ৩৮/৪০টি সার্বজনীন মন্দির রয়েছে। বাধাল ৩৩, কচুয়া ৪১, রাড়ীপাড়া ৩১, মঘিয়া ১৯, গজালিয়া ৩৮, ধোপাখালী ১৭, গোপালপুর ১৭ টি মসজিদ আছে। মসজিদ ও মন্দিরের সাথে জড়িত প্রায় ৩ শতাধিক ইমাম,মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও সেবাইত করোনাভাইরাসের মহামারির কারনে কর্মহীন হয়ে সংসার চালাতে হিমসিম খাচ্ছে।

বাধাল বাজারের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সেবাইত কল্যানী রানী ও জগন্নথ দাস জানান, মন্দির এলাকার বাজারে দোকান ও ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ফুল তুলসি দিয়ে যে প্রনামির টাকা পেতাম তা থেকে মন্দির কমিটি তাদের বেতন দিতেন। তা দিয়েই সংসার চলতো। করোনাভাইরাসের মহামারির কারনে সকল দোকান ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মন্দির কমিটি তাদের বেতন দিতে পারছে না। অসহায় অবস্থায় আমাদের দিন কাটছে। তারা সরকারি ভাবে সম্মানি ভাতার দাবি করছে ।

বাধাল বড়বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম সিরাজুল ইসলাম বলেন, গত মাসের বেতন এখন পর্যন্ত দেয়নি। চলতি মাসে মসজিদ কমিটি কি করবে জানি না। করোনাভাইরাসের কারনে মুসল্লীরা এখন মসজিদে নামাজ পড়তে আসেনা বললেই চলে। পরিবার পরিজন নিয়ে সংসার চালাতে ভিষন কষ্ট হচ্ছে। সরকারি ভাবে আমাদের যদি সাহায্য করতো তাহলে হয়তো দু‘বেলা দু‘মুঠো খেতে পারতাম।

প:বাধাল জামে মসজিদের সভাপতি ফরিদুর রহমান শামিম শেখ বলেন, এলাকার মুসল্লীদের চাঁদার টাকায় আমাদের মসজিদ চলে। করোনাভাইরাসের কারনে মুসল্লিরা নামাজ পড়তে আসেনা এবং মাসিক চাঁদাও দেয় না, তাই আমরা ইমামদের বেতন দিতে পারছি না। একারনে আমাদের ইমাম এখন মসজিদে আসতে চাচ্ছে না।

কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুজিৎ দেবনাথ বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাদের জন্য নগদ কোন অর্থ বরাদ্দ নেই। ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে কিছু নাম এসেছে তাদেরকে খাবার দেওয়া হবে। যাদের খাবার নেই তারা আমাদের মোবাইল করে জানালে আমরা তাকে খাবার পৌছিয়ে দেবো।

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর