,

আরও বিপদ বাড়াচ্ছে কি মাস্ক?

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে শুরু করায় সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক ব্যবহারের পরিমাণ অনেকটাই বেড়েছে। তবে এসব মাস্ক সত্যিই কতটা নিরাপদ তা নিয়ে আছে প্রশ্ন। চিকিৎসকরা আগেই জানিয়েছেন, রাস্তা, গণপরিবহনে মাস্ক পরে ঘোরাঘুরি করা অর্থহীন। কারণ সাধারণ মানুষ যে ধরনের মাস্ক ব্যবহার করছেন তা কোনোভাবেই করোনার মতো সংবেদনশীল ভাইরাস প্রতিরোধে যথেষ্ট তো নয়ই বরং এর ব্যবহার কখনো হিতে বিপরীত হতে পারে।

এমনকি ‘এন-৯৫’ জাতীয় মাস্ক বেশিক্ষণ পরে থাকলে তা হতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটও (আইইডিসিআর) বারবার বলেছে, সবার মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। শুধু আক্রান্ত ও তাদের সেবাদানকারীদেরই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদন বলছে, বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষের মুখে যেসব মাস্ক দেখা যাচ্ছে, তার তালিকায় রয়েছে- এন-৯৫ মাস্ক, তিন স্তরবিশিষ্ট ডিসপোজাল সার্জিক্যাল মাস্ক, গেঞ্জি কাপড় ও স্পঞ্জের মাস্ক, কাপড়ের তৈরি মাস্ক এবং ওড়না বা রুমাল বেঁধে মাস্কের মতো ব্যবহার। সেখানকার মেডিসিন ও সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অমিতাভ নন্দী, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সুমিত সেনগুপ্ত ও ভায়ারোলজিস্ট সুশ্রুত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, করোনার মতো ভাইরাস কখনই এসব মাস্ক দিয়ে ঠেকানোর নয়।

ডা. অমিতাভ নন্দী বলেন, এন-৯৫ মাস্ক একমাত্র তখনই প্রয়োজন, যদি কেউ সরাসরি রোগীর কাছে থাকেন বা তাকে চিকিৎসা দেন। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা তা ব্যবহার করবেন, যারা রোগীর এক মিটারেরও কম দূরত্বে দীর্ঘক্ষণ থাকবেন। সার্জিক্যাল বা অন্য ধরনের মাস্ক এ ক্ষেত্রে কোনো কাজে দেয় না। তবে যাদের সর্দি-কাশি হচ্ছে, তারা এই সার্জিক্যাল মাস্ক পরবেন। সেটা নিজের জন্য নয়, অন্যের শরীরে রোগ না ছড়ানোর সচেতনতা থেকে।

তিনি আরও বলেন, ধুলো থেকে বাঁচতেও এসব সাধারণ মাস্ক কোনো কাজে আসে না। এসব মাস্ক ধুলোর ক্ষুদ্র কণাকে আটকাতে পারে না। আর ধুলোর সঙ্গে করোনার কোনো যোগ নেই। এটা বায়ুবাহিত রোগের তালিকায়ও পড়ে না। তার পরও কেউ ধুলো এড়াতে মাস্ক পরতে চাইলে তারা সার্জিক্যাল মাস্ক পরুন।

এন-৯৫ মাস্কের মাধ্যমে ৯৫ শতাংশ ভাইরাস মরে। কিন্তু এই মাস্কও সব সময় পরে থাকা যায় না। একটানা ১০ মিনিট পরে থাকলেও নানা সমস্যা হয়। নাক-কানে চাপ পড়ে, ব্যথা হয়। একটা সময়ের পর দমবন্ধ লাগে। তাই এই মাস্ক পড়লে বারবার তা নামিয়ে রাখতে বাধ্য হন মানুষ। কখনো কখনো নাকে-মুখে হাত দিয়ে তা ঠিক করতে হয়। এতেই ক্ষতি বাড়ে। দেখা গেছে মাস্ক পরার পর মাঝেমধ্যেই তা ঠিক করতে তাতে হাত দিচ্ছেন সবাই। এতে হাতের জীবাণু মাস্কে যাচ্ছে। মাস্কের উপরিভাগের জীবাণু মিশছে হাতে। ফলে কাজের কাজ তো হচ্ছেই না, উল্টো ক্ষতি বাড়ছে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা