,

ক্রান্তিলগ্নে বিশিষ্ট ভূমিকা নিয়েছে ছাত্রলীগ : প্রধানমন্ত্রী

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে ছাত্রলীগ বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনটির অভিভাবক ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘জাতির যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে ছাত্রলীগ সব সময় বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেছে। যখন আমার বাবা জেলে থাকতেন, তখন ছাত্রলীগ সব সময় যোগাযোগ রাখতেন মায়ের সঙ্গে এবং তিনি নির্দেশনা দিতেন। সেই নির্দেশনা মোতাবেক ছাত্রলীগ কাজ করত।’

আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছাত্রলীগ ছয় দফা এবং সেই সঙ্গে ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলা, ১১ দফা নিয়ে যে সংগ্রাম, আগরতলা মামলা প্রত্যাহারে আন্দোলন গড়ে তোলার পেছনে ছাত্রলীগ ছিল সবচেয়ে সক্রিয়। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই আন্দোলন-সংগ্রাম গড়ে তোলে। তাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলেছিলেন ছাত্রলীগের ইতিহাস, বাঙালির ইতিহাস। ’

তিনি বলেন, ‘১৯৭৫ সালের পর প্রথম প্রতিবাদটাও ছাত্রলীগ ও অন্যান্য কিছু সংগঠন করেছিল। আপনারা জানেন আমাকে এবং রেহানাকে বিদেশের মাটিতে রিফিউজির মতো থাকতে হয়েছিল। নিজেদের পরিচয় দিতে পারতাম না। আমরা জানতাম না ভবিষ্যৎ আমাদের কী? কিন্তু তখন এই বাংলাদেশের মাটিতে ফিরিয়ে নিয়ে আসার যে দাবিটা উত্থাপন করে সেটাও ছাত্রলীগের মাধ্যমে প্রথম হয়।’

ছাত্রলীগের অভিভাবক বলেন, ‘সারা বাংলাদেশে সংগঠন হিসেবে ছাত্রলীগের যে ঐতিহ্য, অবদান এটা প্রত্যেক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মনে রাখা উচিত। সেটা মনে রেখেই ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে তাদের আচার-আচরণ, কথাবার্তা, রাজনীতি সব কিছু সেভাবেই করা উচিত যেন এই সংগঠনটা একটা মর্যদাপূর্ণ হয় এবং দেশ ও জাতির কাছে যেন তারা বিশ্বাস অর্জন করে চলতে পারে।

স্বাধীনতা অর্জনই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের প্রধান লক্ষ্য ছিল বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এক্সপেল (বহিষ্কার) করা হলো, আমার দাদা কিন্তু প্রস্তাব দিয়েছিলেন-“তোমাকে আমি বিলাত পাঠিয়ে দেই। সেখান থেকে ব্যারিস্টারি পড়ে আসো।” তিনি কিন্তু তাও যান নাই। তিনি কখনো অর্থ-সম্পাদকের দিকে তাকান নাই। প্রতি মুহূর্ত তিনি বাংলাদেশের জনগণের কথা ভেবেছেন, জনগণের জন্য কাজ করেছেন। এমনকি সন্তান হিসেবে আমাদের কথাও তিনি বলেননি। এটা নিয়ে আমাদের দুঃখ নেই। আমরা গর্ববোধ করি, তিনি দেশের মানুষকেই ভালোবেসেছেন। আর সেই মানুষের মধ্যে আমরাও তো একজন পড়ি।’

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘সততা-আদর্শ ছাড়া সফলতা আসবে না। সাময়িকভাবে নামডাক আসতে পারে, অর্থবিত্ত হতে পারে। কিন্তু দেশের ইতিহাসে মনে রাখার মতো কিছু করতে পারবেন না।’

ছাত্রলীগের সাংগঠনিক অভিভাবক বলেন, ‘২০২০ সাল। এই সালের ৪ জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করছে। এই বছরের ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী আমরা পালন করব। ২০২০ সাল থেকে ২০২১ সাল আমরা মুজিববর্ষ ঘোষণা করেছি।’

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর