,

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকার হোক নতুন বছরের

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নতুন বছরের অঙ্গীকার হোক মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের।
আগামীকাল (১ জানুয়ারি) খ্রিস্টীয় নববর্ষ ২০২০ উপলক্ষে মঙ্গলবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘২০২০ বাঙালি জাতির জন্য একটি বিশেষ গৌরবময় বছর। এ বছরই উদযাপিত হতে যাচ্ছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। আমরা ২০২০ খ্রিস্টাব্দকে ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছি।’

তিনি বলেন, আগামী ১৭ মার্চ জাতির পিতার জন্মদিন বর্ণাঢ্য উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বছরব্যাপী অনুষ্ঠানমালা। তাই নতুন বছরের অঙ্গীকার হোক মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের।

শেখ হাসিনা বলেন, নতুন স্বপ্ন আর সম্ভাবনা নিয়ে যাত্রা শুরু হচ্ছে নতুন বছরের। নতুন বছর অর্জন আর প্রাচুর্যে, সৃষ্টি আর কল্যাণে ভরে উঠুক এবং সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি-মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে এই প্রার্থনা করছি।

তিনি বলেন, পুরাতনকে বিদায় দিয়ে নতুনকে আবাহন করা মানুষের সহজাত ধর্ম। অতীতের সফলতা-ব্যর্থতার ওপর দাঁড়িয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণের জন্য এখন দৃপ্ত পায়ে এগিয়ে যাওয়ার সময়। গত বছরের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে আমাদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নির্মাণের লক্ষ্যে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন, সংবিধান ও গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সামনে এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে ২০১৯ ছিল একটি উল্লেখযোগ্য বছর। এ সময় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়েছে।

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিশ্বের ৫টি দেশের মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ। পূর্ববর্তী বছরের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে গত অর্থবছরে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৮.১৫ শতাংশ। দেশে দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে।

দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ১৯০৯ মার্কিন ডলার দাঁড়িয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। শিক্ষার হার ৭৩.৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায়। মানুষের গড় আয়ু বেড়ে ৭২ বছরের বেশি হয়েছে। আমরা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রেখেছি। ঘুষ-দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্য পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর