,

পচে যাওয়ার ভয়, লোকসানে বিক্রি করছে পেঁয়াজ

news-image

নিউজ ডেস্ক : গত কয়েকদিন থেকেই পেঁয়াজের দামের ঝাঁঝে দিশেহারা দেশবাসী। দফায় দফায় বেড়ে দাম প্রায় ‘ট্রিপল সেঞ্চুরি’ ছুঁয়ে ফেলেছিল। তবে, আমদানি করা ও চাষের নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় অবশেষে কমতে শুরু করেছে এর দাম। এছাড়া, বেশি লাভের আশায় যারা মজুদ করেছিলেন, পচে যাওয়ার ভয়ে এখন লোকসানে হলেও পেঁয়াজ ছেড়ে দিচ্ছেন তারা। একারণে, একদিনের ব্যবধানে আড়ৎ ও কাঁচাবাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম কমে গেছে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে।

রোববার (১৭ নভেম্বর) ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত মানিকগঞ্জের পেঁয়াজের বিভিন্ন আড়ৎ ও বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মানিকগঞ্জের কয়েকটি আড়তে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায়। গত শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) রাজবাড়ী জেলার কালুখালী থেকে ব্যবসায়ীরা প্রতি মণ পেঁয়াজ কিনেছিলেন ৯ হাজার ৫৪০ টাকায়। শনিবার (১৬ নভেম্বর) মানিকগঞ্জের ঝিটকা থেকে পেঁয়াজ কিনেছেন প্রতি মণ ৭ হাজার ৭০০ টাকায়। রোববার (১৭ নভেম্বর) নতুন ও এলসির পেঁয়াজ বাজারের আসার সঙ্গে সঙ্গে এর দাম কমে গেছে প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা।

জাগীর বন্দর আড়তের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী হুমায়ুন আহমেদ বলেন, শনিবার পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রি করেছি ২৩০ টাকায়। অথচ রোববার সকাল থেকে বিক্রি করছি ২০০ টাকা করে। বাজারে এলসি ও নতুন পেঁয়াজ আসার কারণে দাম কমেছে। তাছাড়া, দেশি পেঁয়াজ বেশি দিন রাখলে পচে যাওয়ার সম্ভবনা আছে। এ কারণে অনেকেই লোকসানে পেঁয়াজ বিক্রি করে দিচ্ছেন।

একই আড়তের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ইদ্রিস আলী বলেন, শুক্রবার ঝিটকা থেকে ৯ হাজার ৫৪০ টাকা করে প্রতি মণ পেঁয়াজ কিনেছিলাম, প্রতি কেজির দাম পড়েছিল ২৩৮ টাকা করে। অথচ রোববার সেই পেঁয়াজ খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছি ১৯০ টাকা করে। লোকসান হচ্ছে, তারপরও ছেড়ে দিচ্ছি। কারণ, বাজারে পেঁয়াজের দাম পড়ে গেছে। এই দামে এখনই বিক্রি না করলে পচে যাওয়ার সম্ভবনা আছে।

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড কাঁচামাল আড়ৎ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম লাভলু বলেন, সরকার পেঁয়াজ আমদানি করায় ও নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসায় দাম কমেছে। তাছাড়া, মজুদ পেঁয়াজ পচে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই দ্রুত বিক্রির জন্য বাজারে আনতে শুরু করেছে। এ কারণে পেয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা করে কমে গেছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, আমদানি করা পেঁয়াজ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়লে দাম আরও অনেক কমে আসবে। এছাড়া, আমরা প্রতিনিয়ত বাজার মনিটরিং করছি, যাতে কোনো ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে না পারে। বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা। বাংলানিউজ

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর