,

বাবাই তিনজনকে মে’রেছেন, জানাল মেয়ে

news-image

আমার বাবা আমাকে হ’ত্যার চেষ্টা করেছে। আমার বাবাই খালামনি নাজনীন বেগম ও তার দুই মেয়ে নুসরাত ও খাদিজাকে হ’ত্যা করেছে। আমার বাবা মাদকাসক্ত। গতকালও আমাকে মারধর করেছে। সে কারণেই গতকাল আমি ও আমার মা খালামনির বাসায় চলে আসি। কথাগুলো বলেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দুই শিশু মেয়েসহ গৃহবধূকে গ’লা কে’টে হ’ত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আব্বাসের মেয়ে আহত সুমাইয়া।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে দুই শিশু মেয়েসহ গৃহবধূকে গ’লা কে’টে হ’ত্যার ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বোনের স্বামী আব্বাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের পাওয়ার হাউজের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা (ডিআইও-২) মো. সাজ্জাদ রোমন।

বৃহস্পতিবার সকালে সিদ্ধিরগঞ্জের সিআইখোলা এলাকার সাততলা ভবনের ষষ্ঠ তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। একই পরিবারের ওই ৩ জনকে গ’লা কে’টে হ’ত্যা করা হয়।

নিহতরা হলো- সিদ্ধিরগঞ্জের জোনাকি ফিলিং স্টেশনের কর্মচারী সুমনের স্ত্রী নাজনীন আক্তার (২৮) মেয়ে নুসরাত (৬) ও খাদিজা (২)। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নাজনীনের বোনের জামাই (দুলাভাই) আব্বাসের প্রতিবন্ধী মেয়ে সুমাইয়া (১২) ছুরিকাঘাতে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জোনাকি ফিলিং স্টেশনে বুধবার রাতের ডিউটি শেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বাসায় ফেরেন স্বামী সুমন। এরপর ঘরে ঢুকে তিনি স্ত্রী ও দুই সন্তানের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। এরপর স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে পুলিশে খবর দেন।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন জেলা এসপি হারুন অর রশীদ। এ সময় অ্যাডিশনাল এসপি (ক অঞ্চল) মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি কামরুল ফারুকসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর সিআইডির ঢাকার একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন।

এসপি হারুন অর রশীদ বলেন, ঘটনাটি সকাল ৮টায় ঘটেছে। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে জেনেছি আব্বাসের সঙ্গে তার স্ত্রীর দ্বন্দ্ব চলছিল। দ্বন্দ্বের জের ধরে আব্বাসের স্ত্রী বোনের বাড়িতে চলে আসে। বোনের বাড়িতে আসার ফলে বিরোধ আরো বেড়ে যায়। সকালে আব্বাসের স্ত্রী পোশাক কারখানায় চলে যায়। এ ফাঁকে কথা বলতে শ্যালিকার বাসায় আসে আব্বাস। কথা বলার ফাঁকে বিরোধের জেরে হ’ত্যাকা’ণ্ড ঘটেছে। এরই মধ্যে আব্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বিস্তারিত জানা যাবে।

নিহতের ছোট ভাই হাসান বলেন, প্রায়ই মাদক সেবন করে আমার বড় বোনের স্বামী আব্বাস মিয়া বাড়িতে এসে মারধর করতো সবাইকে। এ ঘটনায় আমার ভাগ্নি সুমাইয়া বাড়ি থেকে লুকিয়ে পালিয়ে খালার বাসায় বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) চলে আসে। পরে রাতের কোন এক সময় তাকে নিতে আসে আব্বাস। আব্বাসই তিনজনকে গ’লাকে’টে হ’ত্যা করে নিজের মেয়েকেও কুপিয়ে আহত করেছে।

নিহতের বোন ইয়াসমিন বলেন, আমি পোশাক কারখানায় চাকরি করি। আমার স্বামী আব্বাস মিয়া মাদকাসক্ত। প্রতিবন্ধী মেয়ে সুমাইয়াকে মারধরের কারণে বুধবার রাতে নাসরিনের বাসায় চলে আসি। বৃহস্পতিবার সকালে কারখানায় যাই। পরেই হ’ত্যা’কাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর