,

‘স্যার আমাকে মাইরেন না, ১৫ দিনে ১৬ হাজার টাকা পেয়েছি’

news-image

‘স্যার আমাকে মাইরেন না, ১৫ দিনে সাতটি ছি’নতাই করে ভাগে পেয়েছি ১৬ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল।’ পুলিশের কাছে অকপটে অপরাধের কথা স্বীকার করেছে ছি’নতাইকারী ও কিশোর গ্যাং লিডার আরমান।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পুলিশের বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ ১১ জন ছি’নতাইকারী ও মা’দক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার রাতে ভৈরব শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় ছি’নতাইকারীদের কাছ থেকে চাকু, ছোরা, রামদা ও সুইচ গিয়ারসহ ইয়াবা মা’দক উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হল বাজিতপুরের আরমান (১৬), ভৈরবপুর উত্তরপাড়া এলাকার আলী হোসেন (১৭), একই এলাকার ইব্রাহিম (৩৫), ঘোড়াকান্দার সবুজ (২৪), চাঁদপুরের সজীব (২৭), ভৈরব পৌর এলাকার আমলাপাড়ার শুভ (২২), ভৈরবের নিউটাউন এলাকার মো. আলম (৩০), পৌর এলাকার পুকুরপাড় এলাকার আলমগীর (২২), ভৈরব বাজারের সবুর মিয়া (২৩), পৌর এলাকার জগন্নাথপুরের মো. মামুন (৩০) ও উপজেলার জামালপুর এলাকার জোনায়েদ (২৭)।

গ্রেফতারের পর কিশোর গ্যাং লিডার আরমান পুলিশকে বলে, স্যার আমাকে মাইরেন না। আমি সত্য কথা বলছি। গত ১৫ দিনে আমি সাতটি ছি’নতাই করে ভাগে পেয়েছি ১৬ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল। ছি’নতাই করা বাকি টাকা ও কয়েকটি মোবাইল আমার সহকর্মীরা পেয়েছে। তবে গ্যাং লিডার হিসেবে আমি টাকা বেশিই নিয়েছি।

অপর ছি’নতাইকারী আলী হোসেন পুলিশকে জানায়, ছিন’তাইয়ের খোঁজ-খবর আরমান রাখে। সে যখন যেখানে যেতে বলে সেখানে গিয়ে তাকে আমি সহযোগিতা করি। অটোচালক ও রিকশাচালক আলমগীর ও শুভ যাত্রীদের সিটে বসিয়ে গন্তব্যস্থলে রাওয়ানা হওয়ার আগেই মোবাইলে আরমানকে খবর জানিয়ে দেয়। পথিমধ্য সুবিধাজনক স্থানে আমরা ছুরি, চাকুর ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের টাকা-পয়সা, মূল্যবান জিনিসপত্র ও মোবাইল ছিনিয়ে পালিয়ে যাই।

আরমান বলেন, যেসব যাত্রী ছিনতায়ের সময় বাঁধা দেয় বা জোর করে তাদের ছুরিকাঘাত করি। তবে কোনো যাত্রী ছি’নতাইয়ের সময় বাঁধা না দিলে তাদের আমরা কোনোরকম আঘাত করি না।

গ্রেফতারকৃত সবুজ মিয়া বলে, স্যার আমি মা’দক সেবন করি কিন্তু ব্যবসা করি না।ভৈরব থানার ওসির অফিসে শনিবার রাতে এভাবেই স্বেচ্ছায় অকপটে সত্য ও বাস্তব কথাগুলো স্বীকার করল দুই কিশোর ছি’নতাইকারী ও এক মা’দক ব্যবসায়ী।

এ সময় যুগান্তর প্রতিনিধি ওসির চেম্বারে উপস্হিত থেকে তিনজনের কথা শুনলেন। পুলিশ তাদের কথাগুলো শুনে হতবাক হন।ভৈরবে একাধিক কিশোর অপরাধীরা প্রতিদিন শহরে চুরি, ছি’নতাই ও মা’দক ব্যবসা করে যাচ্ছে। এ কারণে পুলিশ কয়েকদিন যাবৎ অপরাধীদের ধরতে শহরে ষাঁড়শি অভিযানে নেমেছে।

ভৈরব থানার ওসি মো.মোখলেছুর রহমান জানান, শহরে ইদানিং চুরি ছি’নতাইসহ মা’দক ব্যবসা বৃদ্ধি পাওয়াই পুলিশ প্রতিদিন বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে। এরই অংশহিসেবে শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে শহরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃত গ্যাং লিডার আরমানকে গ্রেফতারের পর তার জবানবন্দি অনুযায়ী বাকি ১০ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে ভৈরব থানায় পুলিশ বাদী হয়ে দুটি মামলা করে। সূত্রঃ যুগান্তর

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর