,

একদিনে ১০ বারও কেঁদেছি : পরিণীতি

news-image

বিনোদন ডেস্ক : প্রত্যেক মানুষের জীবনেই খারাপ সময় আসে। সেসময় অবসাদ, একাকিত্ব আষ্টেপৃষ্টে ঘিরে থাকে। কোনো কাজেও মন বসে না। শুধু সাধারণ মানুষ নন, এর শিকার হন তারকারাও। অবসাদ থাবা বসিয়েছিল সদা হাস্যমুখ অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়ার জীবনেও। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজেই একথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

পরিণীতি বলেন, একটা সময় যেন একটা খোলসের মধ্যে নিজেকে ঢুকিয়ে রেখেছিলেন তিনি এবং দিনের মধ্যে কমপক্ষে ১০ বার কাঁদতেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়া, নিউ ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস সহ ভারতের একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, ২০১৫ সালে তার অভিনীত পরপর দুটি ছবি ফ্লপ করে এবং সেসময় প্রেমিকের (যার নাম তিনি বলেননি) সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন হয় তার, তখনই অবসাদে চলে যান পরিণীতি। আসন্ন ছবি ‘জবারিয়া জোড়ি’র প্রচার চলাকালীন তার এক অনুরাগী অবসাদের সঙ্গে তার লড়াইয়ের সম্পর্কে জানতে চাইলে নিজের হতাশার কথা তুলে ধরেন অভিনেত্রী।

‘ইশকজাদ’র এই অভিনেত্রী বলেন, ‘‘২০১৪ সালের শেষ এবং গোটা ২০১৫ সাল, এই দেড় বছর সত্যিই আমার জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময় ছিল। আমার পরপর দুটি ছবি- ‘দাওয়াত-ই-ইশক’ এবং ‘কিল দিল’ ব্যর্থ হয়েছিল, আর এটা ছিল আমার প্রথম ধাক্কা। ওই ছবি দুটি ব্যাক-টু-ব্যাক মুক্তি পেয়েছিল এবং ফ্লপ করে যায়। হঠাৎ আমি বুঝতে পারি যে আমার কাছে অর্থ নেই … সেই সময়টা আমার কাছে এতটাই খারাপ ছিল যখন কোনোকিছুই আমার জীবনে ভালো হচ্ছিল না।’’

অবসাদে থাকাকে ‌‘ব্ল্যাকহোলের মধ্যে ডুবে যাওয়ার’ সঙ্গে তুলনা করে পরিণীতি বলেন, ‘আমি একটি খোলসের মধ্যে ঢুকে গেছিলাম। আমি খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম, আমি ভালো করে ঘুমানো বন্ধ করে দিয়েছিলাম। তখন আমার কোনো বন্ধু ছিল না। আমি কোনো লোকের সঙ্গে দেখা করতাম না। যাদের সঙ্গে আমার যোগাযোগ ছিল, এমনকি আমার পরিবারসহ সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলাম আমি।ওই সময়ে আমি দু’সপ্তাহে একবার তাদের সঙ্গে কথা বলতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কেবল আমার ঘরে থাকতাম, টিভি দেখতাম, ঘুমাতাম, সারা দিন না খেয়ে থাকতাম … আমি সেসময় যেন একজন জম্বি হয়ে গেছিলাম। আমি সেই মেয়েটার মতো হয়ে গেছিলাম … যে দিনে কমপক্ষে ১০ বার কাঁদতো। আমার সবসময় মন খারাপ থাকতো এবং আমি সবসময় কাঁদতাম। আমার ভিতরে এত ব্যথা জমা ছিল যে সারাক্ষণ কাঁদলেও তা শেষ হতো না।’

৩০ বছরের এই অভিনেত্রী বলেন, একেবারে ঘ্যানঘেনে, প্যানপেনে মেয়ে হয়ে গেছিলেন তিনি। সেসময়ে তার ভাই সাহাজ চোপড়া তাকে ওই পরিস্থিতির মধ্যে থেকে নিজেকে বের করে আনতে সাহায্য করেছিলেন বলে জানান তিনি।

পরিণীতি বলেন, ‘আমি নিজের জন্যে ভাবতে শুরু করলাম। আমি নিজেকে সুস্থ করে তুললাম। আমি নিজের জীবনকে আবার নতুন করে সাজাতে শুরু করলাম। কারণ আমি জানতাম একবার এই হতাশার অন্ধকূপে ঢুকে গেলে সেখান থেকে আর বের হতে পারব না।’

প্রায় দু’বছরের বিরতি নেওয়ার পরে অবশেষে ‘মেরি পেয়ারি বিন্দু’ এবং ‘গোলমাল এগেন’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে কামব্যাক করেন পরিণীতি। ওই দুটি ছবিই ২০১৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল।

হতাশার অন্ধকার কাটিয়ে ফের ফিল্মি জগতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে পরিণীতির হাতে রয়েছে সায়না নেহওয়ালের বায়োপিক, সন্দীপ অউর পিঙ্কি ফারার অ্যান্ড ভূজ ছবি দুটি।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর