শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে গঙ্গাধর নদীর ভাঙ্গন

news-image

শাহনাজ পারভীন, কুড়িগ্রাম  : কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটার মাদারগঞ্জে গঙ্গাধর নদীর ভাঙ্গনে গত দু’সপ্তাহে অর্ধশত পরিবারের বাড়ী-ঘর নদী গর্ভে বিলন হয়েছে। হুমকীতে রয়েছে বিজিবি ক্যাম্প, স্কুল, মসজিদ, মন্দির সহ মাদারগঞ্জ এলাকার মাঝিপাড়া, কালাডাঙ্গা, রঘুরভিটা, রামদহ, মাঠেরপাড়, জোদ্দার গ্রামের ৩শত পরিবার।

জানা যায়, সীমান্ত নদী তীর সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প ২য় পর্যায় মাদারগঞ্জের গঙ্গাধর নদীর ডানতীর প্রতিরক্ষার কার্যাদেশ গত বছরের ডিসেম্বরে পেয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। পানি উন্নয়ন বোর্ডের লালমনিরহাট বিভাগের বাস্তবায়নে ২২ কোটি টাকা চুক্তি মূল্যে কাজের মুল ঠিকাদার খুলনা শিপইওয়ার্ড লি: বাংলাদেশ নৌবাহিনী, লবনচরা খুলনা হলেও কাজ শুরু করে ভায়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ডলি কন্সট্রাকশন। মাসখানেক কয়েকটি ব্লক তৈরী করে বিল উত্তোলনের পিছনে ছুটতে গিয়ে ভায়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বর্তমানে কাজ বন্ধ রাখায় এ ভাঙ্গন দেখা দেয়।

বল্লভেরখাস ইউপি চেয়ারম্যান আকমল হোসেন বলেন, যে সময় নদীর তীর সংরক্ষনের কার্যাদেশ পাওয়া গেছে তখন থেকে যথা নিয়মে কাজ করলে মাদারগঞ্জ ভাঙ্গনের মুখে পড়ত না। ডলি কন্সট্রাকশনের সহকারী প্রকৌশলী লুনা আক্তার জানান, আমরা কাজ করতে চাই, কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড আমাদের বিল দিচ্ছে না। তাই কাজ আপতত বন্ধ রেখেছি।
পানি উনন্য়ন বোর্ড লালমনিরহাট বিভাগের শাখা কর্মকর্তা মহিবুল ইসলাম বলেন, ভায়া ঠিকাদার হওয়ায় কাজের কোন অগ্রগতি নেই। কাজ বন্ধ রেখে তারা বিল উত্তোলনের পিছনে ছুটছে। ভাঙ্গন ঠেকাতে জরুরী কাজের আওতায় জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হবে।