,

‘নাটক বাদ দেন, আপনাদের কেউ দেখতে চায় না’

news-image

নিউজ ডেস্ক।। ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সংগঠনটির নেত্রী বিএম লিপি আক্তার। বিষয়টিকে ‘নাটক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন হামলায় আহত রোকেয়া হল শাখার এই সভাপতি ও ডাকসুর কমনরুম ও ক্যাফেটারিয়া বিষয়ক সম্পাদক।

আজ মঙ্গলবার ‘হামলা করল কারা, আর তদন্ত করবে কারা’ শিরোনামে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন লিপি আক্তার। এতে ‘তদন্ত নাটক’ বাদ দিয়ে এই কমিটি বাতিল ঘোষণা করে রাজপথের লড়াকু নেতাদের নিয়ে কমিটি গঠন করতে তিনি ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদককে আহ্বান জানান তিনি। ফেসবুকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে লিপি যে পোস্টটি করেছেন তা দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন মাধ্যমের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

‘নাটক বাদ দিন, আপনাদের নাটক কেউ দেখতে চায় না। মারল কারা আর তদন্ত করবে কারা? মারার নির্দেশ দিছে কারা, তদন্তের নির্দেশ দিছে কারা? ভণ্ডামি বাদ দিয়ে, যারা বিগত ৮-৯ মাস আপনাদের চামচামি করছে, যাদের কেউ চিনে না, জীবনের প্রথম পোস্ট তাও আবার Join secretary (যুগ্ম সম্পাদক), Vice President (সহসভাপতি), OS (সাংগঠনিক সম্পাদক) এবং সম্পাদক দিছেন এই কমিটি ভেঙে যোগ্য, সাংগঠনিক দক্ষ লোক যারা বিগত দিনে রাজপথে ছিল, তাদের দিয়ে কমিটি করুন। নয়তো খুব খারাপ সময় পার করতে হবে আপনাদের।’

গতকাল সোমবার মধুর ক্যান্টিনে মারামারি ঘটনা তদন্তে মঙ্গলবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে ছাত্রলীগ। নতুন কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের নেতৃত্বে ওই কমিটিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- ফুয়াদ হোসেন শাহাদাত ও পল্লব কুমার বর্মণ।

এর আগে সোমবার দুপুরের দিকে কমিটির তালিকা নিয়ে গণভবনে যান ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তারা ৩০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সদস্যদের সম্পর্কে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবহিত করেন। গণভবন থেকে বের হয়ে ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী গণমাধ্যমে জানান, প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন। এর পর ফেসবুকে কমিটি প্রকাশ করা হয়।

যদিও প্রকাশিত কমিটির ওপরে তারিখ লেখা রয়েছে ১১ মে। ফলে এ নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয় প্রথম। কমিটি প্রকাশের পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জড়ো হতে থাকে পদবঞ্চিত ও প্রত্যাশিত পদ না পাওয়া নেতা-নেত্রীরা। তারা কমিটি প্রত্যাখ্যান করে ইফতারের পূর্বেই বিক্ষোভ শুরু করেন। ওই বিক্ষোভে অংশ নেয়া নারী নেত্রীদের ওপর পদপ্রাপ্ত নেতারা হামলা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়। উৎস: দৈনিক আমাদের সময়।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর