,

পায়রায় টার্মিনাল নির্মাণ: পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : পায়রা বন্দরের প্রথম টার্মিনাল, সংযোগ সড়ক, আন্দার মানিক নদীর ওপর সেতু এবং আনুষাঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ বিষয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার। মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে কোরিয়ার তিন কোম্পানির (জয়েন্ট ভেঞ্চার) সঙ্গে পায়রা বন্দরের একটি চুক্তিপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমডোর এম জাহাঙ্গীর আলম এবং কুনওয়া ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসাল্টিং কোম্পানি লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট জিয়ং লানোহ, দায়েং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক দায়ে জিনকিম ও হেরিম আর্কিটেক্টস অ্যান্ড প্লানার্স কোম্পানি লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার ইউন স্যাংজু। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, পরামর্শক কাজের চুক্তিমূল্য ৭৯ কোটি ৫২ লাখ ২৩ হাজার ৭৮৪ টাকা। চুক্তি স্বাক্ষরের পর কাজ সম্পন্ন করার সময় ৩৬ মাস। ডিজাইন ফেইজের জন্য ৬ মাস এবং সুপারভিশন ফেইজের জন্য সময় ৩০ মাস।

পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কাজকে দু’টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে- ডিজাইন এবং সুপারভিশন। ডিজাইন ফেইজ অনুযায়ী পরামর্শক প্রতিষ্ঠান প্রকল্পের প্রতিটি অঙ্গের পরিকল্পনা প্রণয়ন, ডিজাইন, ড্রইং, প্রাক্কলন, টেন্ডার ডকুমেন্ট এবং বিভিন্ন যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন ইত্যাদি প্রস্তুত করবে। সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল ও আনুষাঙ্গিক কাজ সুপারভিশন করবে সুপারভিশন ফেইজ।

নৌপরিবহন সচিব বলেন, ‘পায়রা প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প এবং ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প। আশা করি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাজটি ঠিকভাবে করবে যাতে পায়রা বন্দর দ্রুত অপারেশনে যেতে পারে।’

সভায় আরও জানানো হয়, সরকার পায়রা বন্দরের মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় ২০২১ সালের মধ্যে বন্দরের জন্য দুটি টার্মিনাল নির্মাণের লক্ষ্যে ছয়টি বার্থসহ কমপক্ষে দুটি টার্মিনাল নির্মাণ এবং ১০ দশমিক ৫০ মিটার গভীরতার চ্যানেল সংরক্ষণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ পরিকল্পনার আওতায় ‘পায়রা সমুদ্র বন্দরের প্রথম টার্মিনাল এবং আনুষাঙ্গিক সুবিধাদি নির্মাণ’ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালের মধ্যে তিনটি বার্থসহ একটি টার্মিনাল এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক সুবিধাদি নির্মিত হবে। ২০২১ সালের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে একনেক সভায় ৩ হাজার ৯৮২ কোটি ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্পটি একটি ‘ভোরের পাখি (আরলি বার্ড) প্রকল্প। প্রকল্পের আওতায় স্লোপ প্রোটেকশনসহ জেটি, ইউটিলিটি সার্ভিস এবং ইয়ার্ড সুবিধাসহ টার্মিনাল, অস্থায়ী জেটি এবং বিদ্যমান পানি উন্নয়ন বোর্ড রোড পুনর্নির্মাণ, মেরিন ক্রাফ্ট এবং ইয়ার্ড ইক্যুইপমেন্ট ক্রয়, ছয়-লেন বিশিষ্ট সাড়ে ছয় কিলোমিটার দৈর্ঘের পোর্ট এক্সেস রোড এবং ছয়-লেন বিশিষ্ট মিডিয়াম সেতু (৫২০ মিটার) ও নদীর ওপর প্রায় এক হাজার ৫০ মিটার দীর্ঘ ছয়-লেন বিশিষ্ট সেতু নির্মাণ করা হবে।

সরকার পায়রা বন্দরের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় স্বল্প পরিসরে বন্দরের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্যে বহির্নোঙ্গরে বড় জাহাজ থেকে মালামাল খালাস করে বিভিন্ন নৌ-রুটের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে পরিবহন করা হচ্ছে।

দেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা বাণিজ্যের কারণে বন্দরের চাহিদা মেটানোর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় পায়রা সমুদ্র বন্দরের উদ্বোধন করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর