,

৯০০ মিটার দৃশ্যমান হচ্ছে পদ্মাসেতু

news-image

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি : দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে স্বপ্নের পদ্মাসেতু প্রকল্পের কাজ। এই সময়ে নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। তবে নতুন বছর শুরু অর্থাৎ জানুয়ারিতে জাজিরা প্রান্তে ৩৬ ও ৩৭ নম্বর পিলারে ষষ্ঠ স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) ৬এফ বসবে। ফলে দৃশ্যমান হচ্ছে সেতুর ৯০০ মিটার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রকল্পের ৬২ শতাংশ আর মূল সেতুর ৭২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। বাকিটা শেষ করতেও পুরোদমে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শ্রমিকরা।

জানা যায়, দেড়শ’ মিটার দৈর্ঘ্যের ধূসর রংয়ের ‘৬এফ’ স্প্যানটি মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে বের করে রাখা হয়েছে। তিন হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার ‘তিয়ান ই’ ক্রেনটি প্রস্তুত তিন হাজার ১৪০ টন ওজনের স্প্যান বহনে। ৫টি স্প্যান পিলারে বসানোর সময়ের চেয়ে বেশি সময় অতিবাহিত হচ্ছে ষষ্ঠ স্প্যানটি বসাতে। নদীতে যে ২৬২টি পাইল বসবে তার মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে ১৮৯টি পাইল ড্রাইভ।

মূল সেতুর প্রকৌশলী সূত্র বাংলানিউজকে জানান, চলতি মাসেই ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের নকশা চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে পারে। জাজিরা প্রান্তের ৩৬ নম্বর পিলার এখন স্প্যান বসানোর জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।

রোববার (৬ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে সেতুর ১ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপের র্যায়বার প্লেসিং। এছাড়াও পাইল ক্যাপের কাজ চলছে সেতুর ৯, ১৫, ১৮ ও ১৯ নম্বর পিলারের। পাইল ক্যাপের কাজ শেষ হয়েছে ২১, ২২, ২৩ নম্বর পিলারের। এছাড়া সম্প্রতি পাইল ড্রাইভের কাজ শেষ হয়েছে ২৫ নম্বর পিলারের।

আরো জানান, নকশা সমাধান হওয়া পিলারগুলোর ক্ষেত্রে “স্ক্রিন গ্রাউটিং” এর জন্য ট্যাম্প পাইল প্রস্তুত ১৬টি। এসবের ৮, ৩১, ৩২ নম্বর পিলারের ৮টি পাইল ড্রাইভ সম্পন্ন হয়েছে, বাকিগুলোর কাজও চলমান আছে। পদ্মাসেতুর ৪২টি পিলারের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে ১৫টি পিলার। এগুলো হলো- ২, ৩, ৪, ৫, ১৩, ১৪, ১৬, ১৭, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২। মাওয়া প্রান্তের ভায়াডাক্টের মোট ৩৯টির মধ্যে ২৬টি পাইল ক্যাপ সম্পন্ন হয়েছে।

এছাড়া এগুলোর মধ্যে রোডওয়ে পিয়ার কলামের কাজ শেষ হয়েছে ১৩টির। ইতোমধ্যে এন ওয়ান এবং এন টু এর রোডওয়ে পিয়ার ক্যাপ কমপ্লিট।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকৌশলী জানান, নদীতে পানি কম। নাব্যতা নিরসনে বিভিন্ন পয়েন্টে ছোট বড় মিলিয়ে ৭টি ড্রেজার কাজ করছে। এছাড়া ৭এফ, ৭বি, ৭ সি স্প্যানগুলোর ওপর প্রায় শেষ পর্যায়ে রেলওয়ে স্ল্যাব বসানোর কাজ। ইঞ্জিনিয়ারিং খুঁটিনাটি নানা বিষয়ে সময় নির্ধারণ করে তার পরিবর্তন করতে হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসের শেষের দিকে ষষ্ঠ স্প্যান বসানোর লক্ষ্যে কাজ এগিয়ে চলছে।

উল্লেখ্য, ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান। পদ্মা বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। সেতুর ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১ ও ৪২ নম্বর পিলারের ওপর ৫টি স্প্যান বসানোর মাধ্যমে জাজিরা প্রান্তে পৌনে ১ কিলোমিটার কাঠামো দৃশ্যমান হয়েছে।

২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বসানো হয় প্রথম স্প্যান। এর প্রায় ৪ মাস পর চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় স্প্যানটি বসে। এর মাত্র দেড় মাস পর ১১ মার্চ শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তে ধূসর রঙের তৃতীয় স্প্যান বসানো হয়। এর ২ মাস পর ১৩ মে বসে চতুর্থ স্প্যান। আর পঞ্চম স্প্যানটি বসে এক মাস ১৬ দিনের মাথায়।

এছাড়া মাওয়া প্রান্তের ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) ‘ওয়ান এফ’ আপাতত সেতুর ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের ওপর রাখা হয়েছে।বাংলানিউজ

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর