,

‘ফখরুল সাহেব সম্ভবত রিচ ফুড খান না’

news-image

গণভবনে ১৪ দলের সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের সংলাপে সবকিছু ছাপিয়ে আলোচনায় উঠে আসে নৈশভোজের প্রসঙ্গটি। আলোচনার শুরুটা মূলত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের কারণেই। বৈঠকের আগেই তারা জানিয়েছিলেন, নৈশভোজে অংশ নেবেন না। তবে শেষ পর্যন্ত ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সংলাপে অংশ নিয়ে কেউ নৈশভোজে অংশ নিয়েছেন, আবার কেউ কেউ খাননি। নেতাদের আপ্যায়নে ছিল চিজ কেকসহ ২০ পদের খাবার।

বিএনপির একজন নেতা জানান, বৈঠকের মাঝেই খাবার দেওয়া হয়। তখন কেউ কেউ বক্তব্য দিচ্ছিলেন, কেউ কেউ বক্তব্য দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বৈঠকে অনেক বয়স্ক নেতা ছিলেন। তারা স্বাস্থ্যগত কারণেই খেয়েছেন।

সংলাপের শুরুতেই ঐক্যফ্রন্ট নেতাদের সামনে রাখা হয় প্রিঙ্গলস চিপস, বাদাম আর ফলের জুস। সন্ধ্যা ৭টায় সংলাপের শুরুতেই অতিথিদের সামনে দেওয়া হয় কমলা লেবু, আপেল ও তরমুজের শরবত এবং চিপস। কথার ফাঁকে ফাঁকে এই তিন পদের খাবারে চলে সংলাপ। তিন পদের সঙ্গে সবাইকে চিজ কেক দেওয়া হয়। ড. কামাল হোসেনের সামনে চিজ কেক রাখা হয়। সেখান থেকে অংশ বিশেষ নিয়ে তিনি খেয়েছেন।

খাবার পরিবেশন করা হলে ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে বলেন, তারা বেশি সময় আলোচনার জন্যই নৈশভোজে অংশ নিতে চাননি। তবে প্রধানমন্ত্রী আলোচনাও করেছেন, আমাদের নৈশভোজেও আপ্যায়ন করেছেন। সংলাপের শুরুতে অনেকের সঙ্গে বাদাম চিবুচ্ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি প্রথমে নৈশভোজে অংশ নিতে চাননি। এ বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি এড়ায়নি। প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার একজন সহকারীকে বলেন, ফখরুল ইসলাম সাহেব সম্ভবত রিচ ফুড খান না। তার জন্য ভাত অথবা রুটির ব্যবস্থা করো। পরে বিএনপি মহাসচিবকে ভাত ও মাছ খেতে দেওয়া হয়। পেটের সমস্যার কথা বলে শুধু কোপ্তা খান বিএনপি মহাসচিব। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসও নৈশভোজ এড়িয়ে যান। স্বাস্থ্যগত কারণে তিনি রাতে বেশি কিছু খান না বলে জানান।

গণভবনে সংলাপে অংশ নেওয়া জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের দেশের নামকরা হোটেল থেকে আনা প্রায় কুড়ি রকমের খাবার দিয়ে আপ্যায়িত করেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। খাবার তালিকায় ছিল মোরগ পোলাও, সাদা ভাত, বাটার নান, মাটন রেজালা, রুই মাছের দো পেঁয়াজা, চিতল মাছের কোপতা, রান্না করা মুরগির মাংস, গরুর মাংসের কাবাব, চিকেন বিরিয়ানি কাবাব, বিফ শিক কাবাব, মাল্টা, আনারস, জলপাই ও তরমুজের টাটকা জুস, চিংড়ি ছাড়া টক-মিষ্টি স্বাদের কর্ন স্যুপ, চিংড়ি ছাড়া মিক্সড নুডলস, সুপ, মিক্সড ভেজিটেবল। ছিল কয়েক ধরনের সালাদ। টক দই, মিষ্টি দই ও চিজ কেক ছিল ডেজার্ট হিসেবে। এছাড়াও ছিল কোমল পানীয়, চা ও কফি।
সূত্র: বিডি-জার্নাল

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর