,

নির্মাতার মায়ের মৃত্যু, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কিডনি চুরির অভিযোগ

news-image

মারা গেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা রফিক সিকদারের মা রওশন আরার (৫৫)। বুধবার রাত ১০টায় তিনি না ফেরার দেশে চলে যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। চিকিৎসকের অবহেলার কারণে তার মায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নির্মাতা রফিক সিকদার। তার মায়ের ভালো কিডনি ভুল বশত অপসারণ করা হয়েছে এমন অভিযোগের প্রমাণাদিসহ দীর্ঘদিন ধরেই ঘুরছিলেন বিচারের আশায়।

মায়ের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে রফিক শিকদার লিখেছেন,‌ ‘পাষাণ ডাক্তারের নির্মমতার কাছে জীবনযুদ্ধে হেরে গেছেন আমার মা। আমাদের ছয় ভাই বোনকে বিচারহীনতার নরকে ফেলে রেখে অভিমানে এইমাত্র ওপারে চলে গেলেন আমার মা।’সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করে ভুল চিকিৎসায় নিজের মায়ের দুই কিডনি হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার দাবি করেন রওশন আরার ছেলে চলচ্চিত্র পরিচালক রফিক সিকদার।

রফিক শিকদার বলেন, মায়ের একটি কিডনিতে অপারেশন করতে গিয়ে ভালো কিডনিও কেটে ফেলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক হাবিবুর রহমান দুলাল। পরে এই অপরাধ তিনি লিখিতভাবে স্বীকার করে নিয়ে আমাদের সঙ্গে চুক্তি করেছেন যে, তিনি নিজ খরচে কিডনি প্রতিস্থাপন করবেন। কিন্তু ডাক্তার হাবিবুর রহমান কালক্ষেপণ করেছেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের আইসিইউয়ের লাইফ সাপোর্টে কোমায় ফেলে রেখেছেন মাকে। আজ মা চলে গেল।’

রফিক সিকদার আরও বলেন, আমার মায়ের কিডনিতে সমস্যা দেখা দিলে আমরা তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের প্রফেসর ডা. হাবিবুর রহমান দুলালের তত্ত্বাবধানে ভর্তি করি। তিনি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান- মায়ের বাম কিডনিতে একটু সমস্যা আছে। তাই এই কিডনিটি ফেলে দিতে হবে। অপারেশনের পর আমরা জানতে পারি মায়ের দুটি কিডনিই কেটে ফেলা হয়েছে।

নির্মাতা রফিক সিকদার বলেন, ‘অপারেশনের পর কর্তব্যরত ডাক্তার আমাকে বলেন, অপারেশনের পর থেকেই সুস্থ কিডনিটি আর কাজ করছে না। তাই দ্রুত তাকে আইসিইউতে নিতে হবে। আমাদের এখানে আইসিইউ খালি নেই। আপনারা কোনো বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে আমরা ইনসাফ বারাকা কিডনি হাপাতালের আইসিউতে মাকে ভর্তি করালে তারা আমাদের কয়েকটি টেস্ট করতে দেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর ল্যাবএইড হাসপাতালে সিটিস্ক্যান করালে তারা জানায়- মায়ের মধ্যে কিডনির কোনো অস্তিত্বই নেই।

এরপর ইনসাফ বারাকা কিডনি হাসপাতালের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ফখরুল ইসলাম কথা বলেন ডা. হাবিবুর রহমান দুলালের সঙ্গে। পরে মাকে আবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যালে ভর্তি করানো হয়।

রফিক সিকদার আরও বলেন, আমার মাকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করি ওই সময় সেখানে ওই হাসপাতালেরই চিকিৎসক মামুনের মাকে ভর্তি করানো হয়। তার দুটি কিডনিই নষ্ট ছিল। আর এখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ। আমি জানতে চাই তারা দুটি কিডনি কোথায় পেলেন? আমরা আজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর