,

বিয়ের খবর লুকিয়ে রোসার সঙ্গে লিভ ইন করতেন সাইফ!

news-image

বিনোদন ডেস্ক : ১৯৯১ সালে বয়সে ১০ বছরের বড় অমৃতা সিংহকে বিয়ে করেছিলেন সাইফ আলি খান। দীর্ঘ ১৩ বছর এক সঙ্গে থাকার পর ২০০৪ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় দু’জনের। আর তার আট বছর পরে করিনা কপূরকে বিয়ে করেন সইফ। কিন্তু মাঝের এই বড় সময়টাতে আরেক জনের প্রেমেও পড়েছিলেন সইফ। তিনি মডেল রোসা ক্যাটালানো। সেই রোসা সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে করে নেওয়া যাক, ইতালিতে জন্ম রোসার। বেড়ে ওঠা সুইৎজ়ারল্যান্ডে। কেনিয়াতে সইফের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল এই মডেলের। সেখান থেকেই দু’জনের প্রেম। বলিউডের পার্টি হোক বা যে কোনও বিশেষ অনুষ্ঠান, সইফের সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে উঠেছিলেন রোসা।

বলিউডে কান পাতলেই শোনা যায়, রোসা আর সাইফ সেই সময়ে লিভ ইনও করতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু বেশি দিন টেকেনি দু’জনের সম্পর্ক।

রোসার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখও খুলেছিলেন সাইফ। সে সময়ে তিনি যে পুরোপুরি রোসার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছিলেন, সে কথাও বলতে ভোলেননি সইফ।

তবে নিজের বিয়ের প্রসঙ্গ রোসার কাছে গোপন করেছিলেন সাইফ। আর সেই কথাটি রোসাই সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানিয়েছিলেন। এ দেশে আসার পরেই সইফের বিয়ে, ছেলে মেয়েদের সম্পর্কে জানতে পারেন রোসা।

যদিও পরবর্তী কালে সাইফর ছেলে আর মেয়ের সঙ্গে খুব ভাল সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল রোসার। সইফের সঙ্গে রোসার ব্রেক আপের পর কিছুটা ভেঙে পড়েছিলেন সারা আর ইব্রাহিম।

এক সময়ে সইফের নামে অভিযোগও করেছিলেন রোসা। তাঁর কথায়, একটা সময়ে আমাকে খুবই আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে কাটাতে হয়েছিল। সইফের কাছ থেকে কোনও সাহায্য পাইনি। -আনন্দবাজার

এ জাতীয় আরও খবর

জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষায় সৈনিকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান