,

সরতে হচ্ছে খালেদা-তারেককে!

news-image

নিউজ ডেস্ক।। বাংলাদেশের নির্বাচন পরিচালিত হয় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২ অনুযায়ী। এই আদেশের কিছু কিছু ধারা সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সেই বিবেচনা থেকে আগামী ২৬ আগস্ট রোববার আরপিও সংশোধনের জন্য বৈঠক ডেকেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের ১(ঘ) ধারার বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি ‘নৈতিক স্খলনজনিত কোনো ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অনূ্যন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে’ তবে তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন। কিন্তু ৭২ এর আরপিওতে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতৃত্বের ক্ষেত্রে দুর্নীতিবাজদের রাখা না রাখার ক্ষেত্রে সুষ্পষ্ট কোনো বক্তব্য নেই। এই সুষ্পষ্ট কোনো বক্তব্য না থাকার কারণে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে একজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি বা একাধিক দুর্নীতিবাজ ব্যক্তি আসতে পারেন।

আর নেতৃত্বে আসার পর সেই দল যদি নির্বাচনে জয়লাভ করে তাহলে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে। এই বিবেচনায় নির্বাচন কমিশন মনে করেছে, সংসদ সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংবিধানের সঙ্গে আরপিওকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা দরকার। এজন্য আরপিওতে সংশোধন আনা হচ্ছে, কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকতে হলে তাঁকে সংবিধান অনুযায়ী যোগ্য বিবেচিত হতে হবে। এজন্য কোনো রাজনৈতিক দলে দণ্ডিত দুর্নীতিবাজ, যার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং যিনি সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার অযোগ্য, তিনি কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকতে পারবেন না। যদি তিন কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে থাকেন তবে সেই নেতৃত্ব বাতিল বলে বিবেচিত হবে।

খালেদা জিয়া গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বিএনপি তাঁদের স্থায়ী কমিটির কোনো বৈঠক ছাড়াই দলের গঠনতন্ত্রের ৭ এর সব উপধারা বিলুপ্ত করে। বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭ ধারায় ‘কমিটির সদস্য পদের অযোগ্যতা` শিরোনামে বলা ছিল, `নিন্মোক্ত ব্যক্তিগণ জাতীয় কাউন্সিল, জাতীয় নির্বাহী কমিটি, জাতীয় স্থায়ী কমিটি বা যেকোনো পর্যায়ের যেকোনো নির্বাহী কমিটির সদস্য পদের কিংবা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের প্রার্থী পদের অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।’ তারা হলেন (ক) ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৮ এর বলে দণ্ডিত ব্যক্তি, (খ) দেউলিয়া, (গ) উন্মাদ বলে প্রমাণিত ব্যক্তি, (ঘ) সমাজে দুর্নীতিপরায়ণ বা কুখ্যাত বলে পরিচিত ব্যক্তি। এই উপধারা গুলো বিলুপ্ত করার মধ্য দিয়ে দুর্নীতিবাজদের জন্য বিএনপি দরজা উন্মুক্ত করে।

দেখা যাচ্ছে, খালেদা জিয়া এবং তারেক জিয়া এখনো বিএনপির নেতৃত্বে। এখন আরপিও সংশোধন করে, আদালত কর্তৃক দণ্ডিত কোনো ব্যক্তিকে যদি সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য অযোগ্য বিবেচনা করা হয়, তাহলে তিনি একই ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব প্রদানের জন্য অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। আগামী ২৬ তারিখের আরপিও নিয়ে বৈঠকে এমন সংশোধনীই আনা হচ্ছে।

এছাড়া নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন ইভিএম (ইলেট্রনিক ভোটিং মেশিন) এর ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। আগামী ২৬ তারিখের বৈঠকে ইভিএমে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণের ব্যাপারে একটি নাটকীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হতে পারে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে। সূত্র- বাংলা ইনসাইডার

এ জাতীয় আরও খবর

সিলেটে ট্যাংকলরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ কর্মকর্তাদেরও শাস্তি হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত

কসবায় নিখোঁজের ২দিন পর কলাবাগানের পাশ্ববর্তী ডোবায় মিললো বৃদ্ধের লাশ

প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য মানবসম্পদ ও শিক্ষার উন্নয়ন: কসবায় মুশফিকুর রহমান এমপি

নবীনগরে প্রতিরোধমূলক ওরাল কলেরা টিকা কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

কচু খেয়ে গলা চুলকালে তেঁতুল ছাড়াই মিলবে সমাধান

নায়করাজের শূন্যতা আজও সমান অনুভব করি: শাকিব খান

নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

আস্থার ঘাটতিতে অনিশ্চিত প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর