,

‘নয়টার ট্রেন একটাতেও আসেনি’

news-image

ডেস্ক রিপোর্ট : ঈদযাত্রার তৃতীয় দিন রোববার কমলাপুর রেলস্টেশন বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড় দেখা গেছে। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন। দীর্ঘ অপেক্ষা নিয়ে ক্ষোভ থাকলেও প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে পারবেন ভেবে সন্তোষ প্রকাশ করছেন।

এদিন অধিকাংশ ট্রেনই দু’তিন ঘণ্টা দেরিতে কমলাপুর ছেড়ে গেছে। কখনো কখনো যাত্রীদের এই অপেক্ষা ৫-৭ ঘণ্টাতে গিয়েও ঠেকছে।

কমলাপুর রেলস্টেশন সূত্রে জানা গেছে, রোববার মোট ৬৮টি ট্রেন ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। এর মধ্যে ৩১টি আন্তঃনগর, ৪টি ঈদ স্পেশাল, বাকিগুলো লোকাল ও মেইল সার্ভিস ট্রেন।

সরেজমিনে দুপুরে কমলাপুর স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, লালমনিরহাটগামী ‘লালমনি ঈদ স্পেশাল’ কমলাপুর স্টেশনে সকাল সাড়ে ৭টায় পৌঁছে সাড়ে ৯টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু, দুপুর একটা পর্যন্ত ট্রেনটি আসেনি। ফলে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

এই ট্রেনের যাত্রী সোহাইল হোসেন বলেন, ‘সকাল ৮টা থেকে বসে আছি। কখন ট্রেন আসবে আল্লাহই ভালো জানেন।’

কই ট্রেনের যাত্রী নাহিদা খাতুন স্বামী ও তিন বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে সকাল ৯টা থেকে বসে আছেন স্টেশনে। তিনি বলেন, ‘কখন ট্রেন আসবে, বুঝতে পারছি না। একবার সময় দিয়েছিল ১২টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যাবে। এখন দুপুর সোয়া একটা, ট্রেন আসেনি। বাচ্চার কষ্ট আর সহ্য হচ্ছে না।’

একইভাবে খুলনাগামী ‘সুন্দরবন এক্সপ্রেস’ ভোর ৬টা ২০ মিনিটে কমলাপুর ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি ছেড়ে যায় সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে।

‘ঈশাখান এক্সপ্রেস’ ময়মনসিংহের উদ্দেশ্য বেলা সাড়ে ১১টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ১টার দিকে ছেড়ে যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ অভিমুখী রাজশাহী এক্সপ্রেস ১২টা ২০ মিনিটে রওনা দেয়ার কথা থাকলেও ১টা পর্যন্ত ট্রেনটি ছেড়ে যাইনি।

আর রোববার দিনের শুরুতে প্রথম আন্তঃনগর ট্রেন রাজশাহী অভিমুখী ‘ধূমকেতু এক্সপ্রেস’ সকাল ৬টায় কমলাপুর ছাড়ার কথা থাকলেও সেটি ছেড়ে যায় ৭টার পর।

যাত্রীরা জানান, অধিকাংশ ট্রেনেই নির্ধারিত সময় থেকে দু’তিন থেকে কখনো ৫ ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে যাচ্ছে।

চট্টলা এক্সপ্রেসের যাত্রী মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘দুই ঘণ্টা বসে থাকার পর ট্রেন এসেছে। বাড়ি যেতে পারছি, প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করব, সেজন্যই কষ্ট হলেও ভালো লাগছে।’

গত ১০ আগস্ট দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে যারা অগ্রিম টিকিট পেয়েছিলেন, তারা আজ ঢাকা ছাড়ছেন। এসব ট্রেনে কানায় কানায় পূর্ণ যাত্রী। নিষেধ উপেক্ষা করে ছাদেও যাচ্ছেন যাত্রীরা।

দেরির বিষয়ে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার সীতাংশু চক্রবর্তী বলেন, ‘যাত্রীর চাপে ট্রেন ধীরে চলছে। দেরিতে আসছে বলেই কমলাপুর স্টেশন থেকে যেতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ঈদের কারণে সব স্টেশনেই দু’এক মিনিট করে বেশি সময় লাগছে যাত্রী উঠা-নামায়। এজন্য বিলম্ব হচ্ছে। তারপরও আমরা যাতে শিডিউল বিপর্যয় না হয়, সেজন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।’ সূত্র : পরিবর্তন.কম

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর