,

জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সার্ভিস

news-image

প্রতি মূহুর্তে যানবাহনের গতিবিধি নজরবন্দি রাখতে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সার্ভিস। এর মাধ্যমে চুরি হওয়া যানবাহন কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে উদ্ধার হওয়ার নজিরও সৃষ্টি হয়েছে।

এই সেবা প্রদান করতে হলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অনুমোদন নিতে হয়। ৩৪টি কোম্পানি এই অনুমোদন নিয়ে বর্তমানে দেশে কাজ করছে। তবে ১০-১২টি কোম্পানির কাজ দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

এরকম একটি কোম্পানি ইজিট্র্যাক্স।গত জানুয়ারি থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। ব্যক্তিগত ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লরি, ট্রাক,মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন ধরণের তিন হাজারেরও বেশি যানবাহন এ প্রতিষ্ঠানের সেবা গ্রহণ করছে। এর মধ্যে সিএনজি অটোরিকশা চুরির ঘটনা ঘটেছিল চারটি। চারটিই মালিকসহ কোম্পানির কর্মীরা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।

গত ১৩জুন ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার একটি রাস্তা থেকে ভোর ৫টার দিকে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা গাজীপুরের কোনাবাড়ির দিকে চলে যায়। স্মার্টফোনের মাধ্যমে এর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে করেন মালিক। এমনকি সেসময় চালকের নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। খবর পেয়ে মালিকসহ ইজিট্র্যাক্স কর্মীরা মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে শতভাগ নিশ্চিত হন যে, কোনাবাড়ির একটি স্থানে বাহনটি লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এরপর স্থানীয় জনতা ও পুলিশের সহযোগিতায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাহনটি মালিকের কব্জায় যায়।

ইজিট্র্যাক্সের প্রতিষ্ঠাতা এবং চিফ অপারেটিং অফিসার আবুল বাশার মো. শরীফ। তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, চোর সিএনজি অটোরিকশা মালিকের কাছে ফোন করে অর্থ দাবি করেছিল। কিন্তু আমরা সেটি উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

তিনি বলেন, পুরো কাজটি সম্পন্ন করা হয় নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। এর সাথে যুক্ত ট্র্যাকিং ডিভাইস, সিমকার্ড, ইন্টারনেট সংযোগ, স্মার্ট ফোন ও স্মার্টফোন অ্যাপ। আর যে কোনো সমস্যার জন্য সাপোর্ট টিম কাজ করে ২৪ ঘণ্টা। কারও যানবাহনে যদি কোনো অঘটন ঘটেও, উদ্ধারের ক্ষেত্রে আমরা সাপোর্ট দিয়ে থাকি।

পরিবহন ও সুবিধাভেদে ডিভাইসের শ্রেণীবিভাগ আছে। এ অনুযায়ী- বিভিন্ন কোম্পানি ডিভাইসের দাম রাখছে সাড়ে পাঁচ হাজার থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত এবং মাসিক চার্জ নেয়া হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। এই ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারী ম্যাপের মাধ্যমে তার বাহনের লাইভ অবস্থান, ইঞ্জিন অনঅফ সংকেত, চলন্ত বাহনের ইঞ্জিন অফ, প্রতিদিন কতো কিলো চললো তা জানা, কোন কোন রাস্তা দিয়ে চলল, কোথায় থামলো, গতিসীমা বেঁধে দেয়ার সুবিধাসহ বহুবিধ সুবিধা আছে এই ডিভাইসে।

আবুল বাশার মো. শরীফ বলেন, এটা দিয়ে চালকও নজরদারির মধ্যে থাকছেন। কোনো চালক পরিবহন সংক্রান্ত তথ্য গোপন করার সুযোগ পাচ্ছেন না।

তিনি বলেন, এই খাত অত্যন্ত সম্ভবনাময়। কিন্তু মানুষের মাঝে এখনও সেভাবে পৌঁছতে পারেনি। এজন্য সেবা প্রদানকারী সব প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে বেস্ট সেবা প্রদানের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কিছু অসাধু কোম্পানি আছে, যারা বিটিআরসির অনুমোদন ছাড়াই এই কাজে যুক্ত হচ্ছে, তারা এই সেক্টরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। অবৈধভাবে তারা ডিভাইস আনছে। তাদের মাধ্যমে কাস্টমারও ক্ষতির শিকার হবেন। তবে আমাদের মতন যারা এই কাজ করছে, তারা ছাড়া অন্য কেউ দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্বের পরিচয় দিতে পারবে না।

 

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর