,

মেসি নয় নায়ক এমবাপে

news-image

কোন দিকে ক্যামেরা তাক করবেন ফটো সাংবাদিকরা? মাটির দিকে তাকিয়ে মূর্তি হয়ে দাঁড়ানো লিওনেল মেসির দিকে? নাকি কাজান এরেনার মাঠ দাপিয়ে বেড়ানো উনিশ বছরের হাস্যজ্জ্বল যুবক এমবাপের দিকে? আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের মধ্যেকার ম্যাচের পর এমন ধাঁধায়ই পড়েছিলেন ফটো সাংবাদিকরা। কাজান এরেনায় কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর চোখ ছিল মেসির দিকে। কিন্তু কে জানতো প্রায় ৪৫ হাজার দর্শকের দৃষ্টি কেড়ে নেবেন ম্যাচের সবচেয়ে কমবয়সী খেলোয়াড় এমবাপে?

কাইলিয়ান এমবাপে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আলোচনায় এসেছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মোনাকের হয়ে আলো ছড়ানোর পর। তাকে পেতে ইতিমধ্যে টাকার বস্তা নিয়ে মাঠে নেমে গেছেন বিশ্বের বড় বড় ক্লাব কর্তারা। সেই যুবকই ম্যাচের নায়ক, যে ম্যাচে ছিলেন ফুটবলের আরেক মহানায়ক লিওলেন মেসি।

কিক অফের পর পরই বোঝা গিয়েছিল লড়াইটা হবে মেসি আর এমবাপের মধ্যে। দুই দলের সমর্থকরাই তাকিয়ে ছিলেন তাদের তারকার দিকে। মেসি পারেননি আর্জেন্টিনাকে জিতিয়ে শেষ আটে ওঠাতে; পেরেছেন এমবাপে। ফ্রান্সের ৪-৩ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল এমবাপের। আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে এমন নৈপূণ্যের পর নায়ক হতে আর কী লাগে?

মেসির পা কাজান এরেনার সবুজ ঘাসে ফুটবলের ছবি আঁকবেন-এমন প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে ছিলেন কোটি কোটি মানুষ। গ্যালারির সিংহভাগে থাকা আর্জেন্টিনার সমর্থকরা সারাক্ষাণ মেসির নামে কোরাশ গেয়ে তাকে উৎসাহ দিয়েছেন। কিন্তু সব কিছুই ভেস্তে দিয়েছেন ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড এমবাপে। তার নয়নাভিরাম ফুটবল শৈলী স্তব্ধ করে দিয়েছেন মেসির আর্জেন্টিনাকে।

ফরাসি ফুটবলাররা যখন মাঠ জুড়ে উল্লাস করছিলেন তখন মেসি ঠাঁয় দাঁড়িয়ে রইলেন এক পাশে। চোখ টলমলে। ফ্রান্সের পল পগবাসহ কয়েকজন এসে তাকে সান্তনা দিলেন। গ্যালারির হাজার সমর্থকদের গাল ভিজে গেলো চোখের পানিতে। ট্রফি জিততে এসে দ্বিতীয় পর্ব থেকে বিদায় নেয়া মেসিদের কি সান্তনা হবে?

মাঝমাঠে পল পগবা, এনগোলো কন্তে আর আক্রমনভাবে এমবাপে, গ্রিজম্যান আর অলিভিয়ের জিরু মিলেই তছনছ করে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ। তবে সবার পারফরম্যান্স ছাড়িয়ে গেছেন এমবাপে। ১৪ মিনিটে গ্রিজম্যানের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে ফ্রান্স। এমবাপেকে রুখতেই পেনাল্টি করেছিলেন আর্জেন্টিনার রোহো। তার মিনিট পাঁচেক আগে এমবাপেকে ফাউল করায় ফ্রান্স পেয়েছিলেন প্রথম ফ্রি-কিক। গ্রিজম্যানের শট ক্রসবারে লেগে না ফিরলে নবম মিনিটেই এগিয়ে যেতো ১৯৯৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা।

ফ্রান্সের পাওয়া বক্সের আশপাশের ফ্রি-কিকগুলোর বেশিরভাই এসেছে এমবাপের আক্রমন থেকে। এক কথায় পিএসজির এ ফরোয়ার্ডই কাঁপিয়ে দিয়েছেন আর্জেন্টিনাকে। চার মিনিটে জোড়া গোল করে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ৪০ বছর আগে বিশ্বকাপে হারের প্রতিশোধ নিতে বড় ভূমিকা রাখলেন মোনাকে থেকে ধারে পিএসজিতে নাম লেখানো এ যুবক।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর