,

হিজড়া আতঙ্কে রাতের ঢাকা

news-image

রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি, দোকানপাট যেখানে-সেখানে হিজড়াদের টাকা তোলা নতুন কিছু নয়। তবে আগে মানুষ যা দিত, তা নিয়েই খুশি থাকত হিজড়ারা।

কিন্তু ইদানীং টাকার জন্য সাধারণ মানুষের সহানুভূতি কাজে লাগিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাকের ডগায় মানুষের উপর অত্যাচার করছে তারা। পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে অভিজাত এলাকাগুলোতে হিজড়া আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক আকারে। ফলে তাদের উৎপাতে অসহায় হয়ে পড়েছে নগরবাসী।

এদের মাঝে আবার অনেক নকল হিজড়াও আছে। যাদের মূল উদ্দেশ্য মানুষকে ভয় দেখিয়ে অর্থ উপার্জন করা। যার কারণে এসব হিজড়া চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, পতিতাবৃত্তি ও মারামারিসহ নানা প্রকার অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাংক কর্মকর্তা বিডি২৪লাইভকে বলেন, মতিঝিল থেকে বাসায় যাওয়ার পথে কমলাপুর ওভার ব্রিজে একদল হিজড়া প্রতিদিন টাকা চায়, আর না দিলেই অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে, যা শুনতে অনেকটা দৃষ্টিকটু।

এদিকে রাজধানীর ব্যস্ততম সড়কগুলোতে হিজড়াদের উৎপাত দেখা যায় চোখে পড়ার মতো। তার মধ্যে- ফার্মগেট, ধানমন্ডি, গুলশান ১-২, বনানী, মানিক মিয়া এভিনিউ, বিজয় সরণি, কাকরাইল, কমলাপুর, শ্যামলী ও উত্তরাসহ বিভিন্ন সড়কে চলাচলা করা মানুষ রেহাই পাচ্ছে না তাদের কাছ থেকে। এছাড়া রাতে নামলেই রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় হিজড়াদের। যার ফলে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে পথচারীদের।

এ বিষয়ে সাংবাদিক মাসদুউর রহমান বলেন, হিজড়ারা রাজধানীরসহ সারা দেশের মানুষকে যেভাবে হয়রানি করছে তা আসলেই দুঃখজনক। তবে আমি বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, কারণ এই সরকার হিজড়াদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করেছেন। তাদেরকে তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে সামাজে স্বীকৃতি দিয়েছে। যেহেতু সরকার তাদেরকে সামাজে স্বীকৃতি দিয়েছে, তাই সরকারের উচিৎ তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। তাহলে আমার ধারণা, তাদের (হিজড়াদের) এই ধরনের অসহনীয় উৎপাত থেকে সাধারণ মানুষ মুক্তি পাবে।

এ ব্যাপারে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) আবদুর রাজ্জাক হাওলাদার বলেন, আমরা হিজড়াদের নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু এরা সামাজসেবা অধিদপ্তর থেকে সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে, আবার রাস্তায় গিয়ে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপর্কমের সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছে। তবে এরা যাতে রাস্তাঘাটে অপর্কম করতে না পারে তার জন্য আমরা ভ্রাম্যমাণ আদলাত পরিচালনা করছি। কিন্তু তারপরও এরা বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা হিজড়াদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি। তাদেরকে আমরা বয়স্ক ভাতা প্রধান করছি, এছাড়া বর্তমান সরকারও তাদের নিয়ে অনেক কাজ করছেন।

২০০৪ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি জরিপে হিজড়াদের সংখ্যা ১৫ হাজার বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে হিজড়াদের দাবি, শুধু ঢাকা শহরেই কমপক্ষে ৩০ হাজার হিজড়া আছে। ২০১৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার হিজড়াদের একটি পৃথক লিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর