,

যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ায় ধ্বংসস্তূপে বসে ইফতার

news-image

সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের দিক থেকে বেশ সমৃদ্ধ রাষ্ট্র সিরিয়া। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে একসময় বেশ আনুষ্ঠানিকতা ও আগ্রহ-উদ্দীপনার মাধ্যমে পালিত হতো রমজান মাস। কিন্তু গত ৭-৮ বছর ধরে চলমান যুদ্ধের ফলে রমজানের সেই আগের জৌলুশ এখন আর নেই।

যেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষের ভাগ্যে ঠিকমতো খাবার জোটে না, ঘরহীন হয়ে শরণার্থী শিবিরে কাটাতে হয় দিন, ক্ষুধা মেটানোর জন্য তাকিয়ে থাকতে হয় ত্রাণের দিকে, সেখানে রমজানের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা পালনকে বিলাসিতাই বলা চলে। তারপরও আল্লাহ্‌র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ ও সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ হাত ছাড়া করেন না ধর্মপ্রাণ সিরিয়ানরা।

সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভালোবাসাকে অগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ, যুদ্ধপ্লেন, ট্যাংক, মিসাইল ইত্যাদি দিয়ে যে থামানো সম্ভব নয় সেটারই প্রমাণ এই সিরিয়ানরা।

রমজান মাস উপলক্ষে সিরিয়ানরা পরিবারের একমাসের বাজার আগে থেকেই কিনে রাখেন। রাজধানী দামেস্কের মিষ্টির দোকানগুলো ভরে ওঠে খদ্দেরে। আরও বিক্রি হয় স্বাস্থ্যকর ফল-মূল ও তাজা তরকারি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রমজান মাসে সিরিয়ার একটি বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। এ মাসে আকাশছোঁয়া দামের কারণে হাজার হাজার পরিবার কিনতে পারেন না নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য। এমনকি কিছু পরিবারের জন্য বেঁচে থাকার মৌলিক পণ্যগুলোও কেনা সম্ভব হয় না।ধ্বংসস্তূপে বসে ইফতার। ছবি: সংগৃহীতএই মাসে নিজেকে নিঃসঙ্গ ভাবার উপায় নেই, কারণ বন্ধু, আত্মীয়, প্রতিবেশী সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে ইফতার করা সিরিয়ার একটি প্রাচীন ঐতিহ্য। বছর সাতেক আগেও সিরিয়ানদের ইফতারের টেবিলে দেখা মিলত মধ্যপ্রাচ্যের ঐতিহ্যবাহী খাবারদাবারের প্রাচুর্য। ইফতারে সিরিয়ানদের পছন্দ বিভিন্ন রকমের সালাদ, স্যুপ, রমজান উপলক্ষে বিশেষভাবে প্রস্তুত রুটি, ফল, কাবাব ও বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী ডেজার্ট।নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি বাড়িতে বাড়িতে ইফতার পাঠানো হতো। অনেক সময় দেখা যেত প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের বাড়ি থেকে পাঠানো ইফতারের আধিক্যে নিজ বাড়িতে রান্না ইফতার খাওয়ার সুযোগই মিলছে না।

বর্তমানের চিত্র অনেক ভিন্ন। যুদ্ধে ইতোমধ্যে মারা গেছেন অসংখ্য মানুষ। অনেক মানুষ হয়েছেন গৃহহীন, হারিয়েছেন পরিবার। তবে একসঙ্গে ইফতার করার প্রথাটি হারিয়ে যায়নি।ধ্বংসস্তূপে বসে ইফতার। ছবি: সংগৃহীত

রমজান মাসে সিরিয়ান রোজাদারদের জন্য বিশেষ কার্যক্রম

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর