,

‘জি টু জি প্লাস’ নিয়ে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে শঙ্কা

news-image

মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাহাথির মোহাম্মদ শপথ গ্রহণের পর দেশটির শ্রমবাজারে ২০১৬ সালে প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক যাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অভিবাসন সংশ্লিষ্টরা। কারণ হিসেবে তারা বলছেন, দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক ক্ষমতায় থাকাকালে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ থেকে ‘জি টু জি প্লাস’ প্রক্রিয়ায় শ্রমিক নেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা স্বারক সই করেন। এর পর বাংলাদেশ থেকে দেশটিতে শ্রমিক যাওয়ার সংখ্যাটা বেড়ে যায়। যেটা মাহথিরের সরকার বাতিল করে দেওয়ার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।

শ্রমিক পাঠাতে বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সি মালিকরা ভিসা কেনায় বিনিয়োগ করে এখন দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। অপেক্ষায় থাকা প্রায় অর্ধলাখ শ্রমিকের মালয়েশিয়া যাওয়াটা অনিশ্চিত কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, জি টু জি প্লাস পদ্ধতিতে মালয়েশিয়ায় এখন পর্যন্ত আনুমানিক দেড় লাখ কর্মী বহির্গমন ছাড়পত্র নিয়ে চলে গেছেন। আরো অনেকে দেশটিতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। দেশটির সরকার পরিবর্তন হলেও পলিসির কোনো ধরনের পরিবর্তন হবে না।

এর আগে ২০০৭ সালে দেশটির সরকার বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া বন্ধ করে দেয়। সে সময় মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহীদুল ইসলাম দেশটির সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করে জি টু জি প্লাস পদ্ধতিতে শ্রমিক পাঠানোর বাজার খুলতে সক্ষম হন।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর