,

‘জঙ্গিবাদের পক্ষ নেওয়া হলুদ সাংবাদিকতাকে সমর্থন করি না’

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, পোষা গণমাধ্যম গণতন্ত্রের ভীতকে দুর্বল করে দেয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার পোষা গণমাধ্যম চায় না। আমরা গণতন্ত্রের বিকাশের পক্ষে আছি। তবে জঙ্গিবাদের পক্ষ নেওয়া হলুদ সাংবাদিকতাকেও আমরা সমর্থন করি না। আমরা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনায় মুখর গণমাধ্যম চাই।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকদের অনেকেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আপনাদের উদ্বেগের বিষয়গুলো আমাকে লিখিত ও ব্যক্তিগতভাবে জানালে আমি তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলবো।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের কর্মীদের স্বাধীনভাবে, আইনগতভাবে ও সাংবিধানিকভাবে মতামত, চাকরির নিরাপত্তা, কল্যাণ তহবিল, ওয়েজবোর্ড নিশ্চিত করছে বর্তমান সরকার। ১৪ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক দিবস হিসেবে পালন করার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ইনু বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দেশের সংবিধানে সংবাদপত্র এবং সংবাদকর্মীদের জন্য আলাদাভাবে বিষয় অর্ন্তভুক্ত করেছিলেন। সেখানে গণমাধ্যমের কর্মীদের স্বাধীনভাবে, আইনগতভাবে ও সাংবিধানিকভাবে মতামত, সমালোচনা প্রকাশের কথা উল্লেখ ছিলো। এটা ছাড়া গণমাধ্যমের মৃত্যু হয় বলেই মনে করতেন বঙ্গবন্ধু।

এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল ও সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক প্রমুখ।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর