,

এবার কলকাতার সল্টলেকে আশ্রম-বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়ালে যৌনাচার!

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হরিয়ানা, দিল্লির পর এবার কলকাতার অভিজাত এলাকা সল্টলেকে আশ্রম-বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়ালে রমরমিয়ে চলছিল যৌনাচার। নাবালিকাদের জোর করে আটকে রেখে তাঁদের শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করা হচ্ছিল। এমনই অভিযোগ এবার উঠল খাস কলকাতার সল্টলেক এলাকায়। স্মরণ করিয়ে দিল গত বছরের ধর্ষক বাবা গুরমিত রাম রহিমের স্মৃতি। এবার পুলিশের নজরে আরেক স্বঘোষিত গুরু বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিত।

নাবালিকা শিষ্যাদের জোর করে দেহব্যবসায় নামানোর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সল্টলেকের সিএল ব্লকের ২৪৯ নম্বর বাড়িতে হানা দেন বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ। উদ্ধার করা হয় ১১ জন মহিলা ও ১ জন পুরুষকে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে মোবাইল, কম্পিউটার, হার্ডডিস্ক ও সিসিটিভি ফুটেজ।

অভিযোগ, বহুদিন ধরেই এই কাণ্ডকারখানা চালিয়ে যাচ্ছে বীরেন্দ্র দেব। ঈশ্বরীয় আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয় নামে সংস্থা চালাচ্ছিল। কেবল সল্টলেকে নয় সারা ভারতে এই একই নামে আরও ১৪টি এমন বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে তার। যেখানে নাবালিকাদের জোর করে আটকে রাখা হয়।

কখনও দরিদ্র বাবা-মাকে ভুল বুঝিয়ে, আবার কখনও রাস্তা থেকে অনাথ শিশু তুলে এনে। তাঁদের আশ্রমে রেখে শারীরিক অত্যাচারও চালানো হত বলে অভিযোগ। এই নাবালকরা প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে গেলে নাকি তাঁদের দয়ে মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হয় যে তাঁরা স্বেচ্ছায় বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছেন। সেখানে তাঁদের মতো করে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়া হত।

সল্টলেকের যে বাড়িতে এই কাণ্ডকারখানা চলছিল, সেই বাড়ির মালিক জানান, প্রথমে তিনিও এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন। কিন্তু পরে বীরেন্দ্র দেবের সঙ্গে মতপার্থ্যক হওয়ায় সরে আসেন। আশ্রমে নাকি স্বঘোষিত গুরু যৌনাচার করার কথা বলত।

শোনা যাচ্ছে, এই প্রথম নয় এর আগেও এমন অভিযোগ বীরেন্দ্র দেবের বিরুদ্ধে উঠেছিল। দিল্লি হাই কোর্টে তার নামে ধর্ষণের অভিযোগও আনা হয়। এমনকি যে বিশ্ববিদ্যালয় সে চালাচ্ছে তাঁর কোনো সরকারি অনুমতি বা অনুমোদনও নেই।

সল্টলেকের এই ঘটনার সঙ্গে অনেকেই ধর্ষক বাবা গুরমিত রাম রহিমের সাদৃশ্য খুঁজে পাচ্ছেন। বাবার ডেরাতেও এই একইরকম কার্যকলাপ চলত। গত আগস্টেই হরিয়ানার রাম রহিমকে তারই ২ জন মহিলা অনুগামীকে ধর্ষণ করার অভিযোগে ২০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়।

তারপর থেকে এখনও ভারতে এ ধরনের বহু ভণ্ড বাবার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে, যারা ঈশ্বরের নামের আড়ালে যৌন ব্যবসা চালাচ্ছে। এ ধরনের ভণ্ড সাধু বা গুরুরা যেমন ক্ষমতাশালী হয় তেমনই এদের রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গেও যথেষ্ট যোগাযোগ থাকে। বীরেন্দ্র দেব দীক্ষিতের ক্ষেত্রেও তেমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখনও পুলিশের হাতে ধরা পড়েনি এই স্বঘোষিত গুরু।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর