,

রায়ের বিষয়ে সবাই একমত, তবে কয়েক দিন সময় লাগবে-অ্যাটর্নি জেনারেল

news-image

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, পিলখানা হত্যা মামলার রায়ের বিষয়ে সব বিচারপতিই একমত পোষণ করেছেন। তবে রায় শেষ হতে কয়েকদিন সময় লেগে যেতে পারে।

আজ রোববার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অ্যাটর্নি জেনারেল এ কথা জানান।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, কয়জন আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে, কয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল থাকবে, কয়জনের সাজা বহাল থাকবে এবং কোন কোন আসামির দণ্ড খালাস হবে, বা মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন করা হবে, এই ব্যাপারে তিনজন বিচারপতি ঐক্যমতে পৌঁছেছেন বলে জানিয়েছেন। তবে যার যার পর্যবেক্ষণ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

মাহবুবে আলম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় নিম্ন আদালত ১৫২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ১৬০ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন। এই রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টে আপিল করা হলে এক বছর শুনানি শেষে আদালত আজ রায় দেওয়া শুরু করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন হত্যা যেমন একটি জঘন্য ঘটনা ছিল, তেমনি এ মামলার রায়ও একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনজন বিচারপতির বেঞ্চ এ মামলায় একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তবে রায় সম্পর্কে তাদের অবজারভেশন ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

মাহবুবে আলম বলেন, নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্তদের পক্ষ থেকে ১১৯টি আপিল আবেদন করা হয়েছিল। আর ৬৯ জন আসামির খালাস দেওয়ার বিরুদ্ধে সরকারপক্ষ একটি আপিল করেছিল। হাইকোর্টে মামলাটি এক বছরের বেশি শুনানি হয়েছে। আজকে রায় দেওয়া শুরু হয়েছে। রায়ের উপক্রমনিকা পড়েছেন বেঞ্চের বিচারপতি শওকত হোসেন। তারপর বিচারপতি জাফর সিদ্দিকী পর্যবেক্ষণ পড়েছেন এবং দুপুরের পর বিচারপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার রায় পড়েন।

মাহবুবে আলম বলেন, তারপর আগামীকাল সোমবার মামলার পর্যবেক্ষণসহ রায়ের অন্য অংশ পড়া শুরু করবেন। সমস্ত রায় পড়া হতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। ‍তবে উনারা রায়ের সবটা নাও পড়তে পারেন। পর্যবেক্ষণ পড়ে তাঁরা হয়তো তাঁদের অর্ডারের অংশে চলে যাবেন। আজকে অর্ডারের অংশ পড়বেন বলে মনে হয় না। বিচারপতি জাফর সিদ্দিকী বলেছেন, যেসব আসামির সাজা বহাল রাখা হবে, সাজা বহাল রাখার স্বপক্ষে তার যুক্তি ও পর্যবেক্ষণ এটা তাঁরা দেখাবেন। যাদের সাজা মওকুফ করা হবে তাঁদের ব্যাপারেও তাঁদের যে পর্যবেক্ষণ ও যুক্তি তা বিস্তারিতভাবে দেখাবেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, রায় পড়া শেষ না হলে বোঝা যাবে না মোট কত পৃষ্ঠার রায়। একই দিনে ৭৪ জনের মৃত্যু, তার মধ্যে ৫৭ জন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা। কোনো দেশের সামরিক ক্যুতে এত হত্যাকাণ্ড হয়েছে বলে আমার জানা নেই এবং এই মামলায় ১৫২ জনের ফাঁসির আদেশ। বাংলাদেশে তো সর্বোচ্চই, আমার মনে হয় না পৃথিবীর কোনো দেশে এত সংখ্যক লোকের দণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ অপরাধের দিক থেকেও এটা একটা বিশেষ রকম উল্লেখ করার মতো ঘটনা এবং রায়ও উল্লেখযোগ্য রায়।

এ জাতীয় আরও খবর

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

সাংবাদিক তারিকুল ইসলামের মায়ের মৃত্যুতে মাহ্‌দী আমিনের শোক

শিশু হাসপাতালে কক্ষে ধূমপান, চিকিৎসককে বরখাস্তের নির্দেশ

কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে অসন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী, উন্নয়নে ৭ দিনের সময়

উচ্চশিক্ষায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৫

শিশু গৃহকর্মী নির্যাতন: বিমানের সাবেক এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নওগাঁয় কুড়ালের আঘাতে গণেশ প্রতিমা ভাঙচুর, আটক যুবক

পরীমণির ক্ষোভ, ‘সব দায় আপনাদের’

প্রধান তথ্য কমিশনার হলেন অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান

সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ১৩ স্থান পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর