,

সকালে স্কুল মানেই ক্ষতি!

news-image

নিউজ ডেস্ক : স্বাভাবিকভাবে প্রতিটি ঘরেই ‍সকালে দেখা যায় দৃশ্য। শিশুদের চোখে গভীর ঘুমে মাখানো। গভীর ঘুমে থাকলেও তাদের যে কোনো ‍উপায়ে ঘুম থেকে তুলে দেন বাবা-মা। ‍এদিকে ক্লাস শুরু হতে বেশিক্ষণ বাকি নেই। ‍এখনও কত কাজ বাকি মুখ ধোয়াতে হবে, নাশতা, স্কুলের ব্যাগ রেডি করা। তারপর চোখ ডলতে ডলতে স্কুলে যায় শিশুরা। গবেষণা বলছে, ‍শিশুদের ‍এই অনিয়মের কারণে প্রচুর ক্ষতি হয়। আর তাই যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় স্কুলের সময় পেছানোর জন্য আইন পাসের চেষ্টা চলছে।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের এক ভিডিও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ক্যালিফোর্নিয়ার অধিকাংশ স্কুলই শুরু হয় সকাল আটটায়। মাত্র ২০ শতাংশ স্কুল শুরু হয় সাড়ে আটটায় কিংবা এর পর। এতে অভিভাবকদেরই সুবিধা হয়। সন্তানদের স্কুলে পৌঁছে দিয়ে সবাই নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে চলে যেতে পারেন। কিন্তু এতে যে সন্তানদের ক্ষতি হচ্ছে, সেটা বুঝতে পারছেন না তাঁরা।

কৈশোর বয়ঃসন্ধির প্রভাবে ছেলেমেয়েদের দেহঘড়িতে পরিবর্তন আসে। সাধারণত তারা ঘুমাতে যায় রাত ১১টার পর। কিন্তু সকালে স্কুলে যাওয়ার কারণে তাদের সকালে অনেক আগে উঠতে হয়। ফলে স্বাভাবিক নিদ্রা অভ্যাসে ব্যাঘাত ঘটে। এতে শরীরে ঘুমের অভাব দেখা দেয়, পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে। যুক্তরাষ্ট্রের নানা জরিপ ও গবেষণা বলছে, এতে হতাশায় ভুগে, এমনকি মাদকাসক্ত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে। এদের পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার পরিমাণও বেশি। এসব কারণেই যাতে দেরিতে স্কুল শুরু করা হয়, সে জন্য আইন পাস করতে চাইছে ক্যালিফোর্নিয়া। আগে স্কুল শুরু করতে গিয়ে ভবিষ্যৎ নষ্ট করার তো কোনো মানে হয় না। সূত্র: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম।

এ জাতীয় আরও খবর

অটোরিকশা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে?

বিয়ের জন্য যেমন ছেলে চান মিমি

ঢাকায় দিনের তাপমাত্রা কমতে পারে

ডিমের বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীর দাপট, জিম্মি খামারি-ভোক্তা

সবজির বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব

দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

সবুজ সংকেত রূপপুরে, প্রতিকূলতা পেরিয়ে জ্বলল আশার আলো

বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয়েছে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা মাহদীকে

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ‘অবশ্যই সম্ভব’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমরা ভারতবিরোধী না: আসিফ মাহমুদ

অস্ট্রেলিয়া সিরিজে সাফল্য এখন অতীত, শান্তদের পরিকল্পনা আফগানদের নিয়ে