,

প্রত্যায়নপত্র জাল করে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান

SM6ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি॥ প্রত্যায়নপত্র জাল করে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় লিপিবদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা সংলগ্ন হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের সুরাবই গ্রামের মোঃ ফারুক আহমেদ পারুলের বিরুদ্ধে ওই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা আবদূন নূর এমন অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। এতে তিনি বলেন, পারুল তালিকাভূক্ত রাজাকার মোঃ আবুল খায়েরের ছেলে। তার দাদা আবদুস সামাদ ছিলেন শান্তি কমিটির সদস্য। ১৯৯৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর পারুল শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় উলে¬খ করে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের একটি প্রত্যায়নপত্র তৈরী করেন। তৎকালীন চেয়ারম্যান আবদূন নূর প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেয়া তার অভিযোগে বলেছেন, আমি চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ের তারিখ দিয়ে আমার স্বাক্ষর জাল করে সে নিজ হাতে লিখে একটি প্রত্যায়নপত্র তৈরী করে। যাতে সে তার পরিচয় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান হিসেবে উলে¬খ করেছে। প্রত্যায়নপত্রের লেখার সঙ্গে আমার হাতের লেখার কোন মিল নেই। সম্প্রতি এ বিষয়টি আমি জানতে পারি। অভিযোগে আরো বলা হয়, ধর্মঘরে পারুলদের বাড়ি রাজাকার বাড়ি হিসেবেই পরিচিত। এর আগে ধর্মঘর ইউনিয়নের মুক্তিযোদ্ধা মোঃ খলিলুর রহমান (সনদ নং ৩৯৪২৪)সহ এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা মাধবপুর উপজেলা কমান্ডের কাছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিয়ে শহীদের সম্মানের অবমাননা করার প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেন। তাদের আবেদনে বলা হয়, সরকারের সর্বশেষ বাছাইকৃত যুদ্ধাপরাধীর তালিকায় যুদ্ধাপরাধী হিসেবে নাম থাকা আবুল খায়েরের ছেলে মোঃ ফারুক আহমেদ পারুল নিজেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয় দিয়ে রাজনৈতিক, সামাজিক ও সরকারী বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধে নিচ্ছে। শান্তি কমিটির সদস্য আবদুস সামাদ ও তার ছেলে আবুল খায়ের যুদ্ধের সময় আমাদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) ফেলে যাওয়া সহায় সম্পদ লুট করে এবং অনেক ঘরবাড়ি আগুনে পুড়িয়ে দেয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিদারাবাদে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিবাহিনীর গোলাগুলির একটি ঘটনায় পাকবাহিনীকে সহায়তারত আবুর খায়ের মারা যান। সে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে সাজাপ্রাপ্ত কায়সার বাহিনীর এই এলাকার রাজাকার কমান্ডার ছিল। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মাধবপুর উপজেলা ও হবিগঞ্জ জেলা কমান্ড এ অভিযোগ যাচাই বাছাই করে জানিয়েছে আবুল খায়ের রাজাকার হিসেবে তালিকাভূক্ত। ফারুক আহমেদ পারুল বলেন, যারা এখন এই অভিযোগ করছে তারাই ফ্রট। আমার বাবা আবুল খায়ের একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। তাকে বিজয়নগরের নিদারাবাদে পাঞ্জাবিরা গুলি করে মেরেছে। এ সংক্রান্ত উপজেলা, জেলা এবং জাতীয় পর্যায়ের কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীর যে তালিকার কথা বলা হচ্ছে এর কোন অনুমোদন নেই। মুক্তিযোদ্ধা সংসদ হবিগঞ্জ জেলা ইউনিট কমান্ডার এডভোকেট মোহাম্মদ আলী পাঠান বলেন, আমাদের রেকর্ডপত্রে কোথাও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আবুল খায়েরের নাম নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে সে মারা গেছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়লেও নিজস্ব মোবাইল নেই ৩৪ শতাংশের

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার পিছিয়ে যাচ্ছে: বিরোধী নেতারা

পাপ্পু হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো মাইটিভির সাথীকে

ইশরাকের অস্ত্র প্রদর্শন, আইনের ব্যত্যয় পেলে ব্যবস্থা

সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

উইলিয়ামস সোয়েটার্সের বিরুদ্ধে ১৩ কোটি টাকার শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ

দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদির কাছে ব্যাখ্যা চাইল ঢাকা

অস্ত্র প্রদর্শনের কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজারের বেশি

কাতারে গ্রেপ্তার বিমান বাহিনীর সাবেক প্রধান হান্নান

হামের উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট ১১৯৬

কাঁধের হাড় ভাঙা ও অস্টিওপোরোসিস: লক্ষণ, পরীক্ষা ও চিকিৎসা